header banner

Business : বাণিজ্যতেই লক্ষ্মীর বাস

article banner

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : কথায় আছে বাণিজ্যতেই লক্ষ্মীর বাস। যদি সঠিক পথে বাণিজ্য করা যায় তাহলে ভালো লাভ করা যায়। ফলতার (Falta) নপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা শামীম মোল্লা বিদেশের চাকরি ছেড়ে এই ফ্যান্সি মুরগি প্রতিপালনের ব্যবসায় বুঁদ হয়েছেন। বিদেশি মুরগির প্রতিপালন করার পাশাপাশি সেগুলি বিক্রিও করেন তিনি। শুধু এ রজ্যের বিভিন্ন জেলায় নয় অসম, বিহার, ওড়িশার মত রাজ্যের লোকজন শামীমের কাছ থেকে এই বাহারি মুরগি কিনে নিয়ে যান। আর পাঁচটি মুরগির থেকে একেবারেই আলাদা দেখতে। কোনওটার চোখ মুখ ঢেকেছে পালকে। কারও আবার বিরাট বড় লেজ। রঙেও রয়েছে চমক।

{link}

কেউ ধূসর কারও আবার সোনালী সাদা মিশ্রণের পালক। তারা প্রত্যেকেই ভিনদেশী।পোল্ট্রি খামারে যেন এক টুকরো বিশ্ব উঠে এসেছে। সেখানে আমেরিকা, চীন, নেদারল্যান্ডস, কলম্বিয়া, জাপান ইত্যাদি দেশের বাহারি মুরগির ঠাঁই হয়েছে। শামীমের ব্যবসায়িক দৃষ্টি খুবই প্রখর। সারাদিন খুবই পরিশ্রম করেন। ভালো লাভের মুখও দেখছেন। বর্তমানে ১৩ থেকে ১৪ রকমের বিদেশি মুরগির প্রতিপালন করেন শামীম। মূলত দক্ষিণ বা পশ্চিম ভারতের বড় বড় প্রতিপালকের কাছ থেকে এই মুরগির বাচ্চা নিয়ে এসে আদর যত্ন করে বড় করে তোলেন তিনি। তারপর চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করা হয়। ওই যুবক বলেন, এইসব মুরগি বিদেশ থেকে বড় বড় প্রতিপালকরা নিয়ে আসেন।

{link}

তাঁদের কাছ থেকেই আমাদের সেগুলি কিনতে হয়। একেকটি মুরগির বাচ্চা ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হয়। শামীম হোটেল ম্যানেজমেন্ট পাশ করে দুবাই এবং সৌদি আরবেহোটেলে কাজ করতেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বাহারি মুরগির ভিডিও দেখতে দেখতে নিজের মধ্যে সেগুলি প্রতিপালন করার ইচ্ছে তৈরি হয়। তাই দেড় বছর আগে বিদেশের চাকরি ছেড়ে এই কাজে যুক্ত হয়েছেন ওই যুবক। বর্তমানে শামীমের খামারে বড় হচ্ছে হোয়াইট আমেরিকান সিল্কি, গোল্ডেন আমেরিকান সিল্কি, ফ্রিজিল, পলিশ ক্যাপ, গোল্ডেন ওয়ায়েনডট, জাপানের ওনাগাদরি, সেব্রাইট, কলম্বিয়ান লাইট ব্রাহামা সহ বিভিন্ন দেশের মুরগি।

{ads}

News Breaking News Falta Business সংবাদ

Last Updated :

Related Article

Care and Cure 1

Latest Article