শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার নির্মলা সীতারমন পেশ করতে চলেছে নির্ধারিত বাজেট। তার আগেই শনিবার পেশ করা হয়েছে ইকোনমিক সার্ভে। একটা বিষয় বেশ পরিষ্কার যখন সারা বিশ্বের অর্থনীতি বেশ টালমাটাল তখন কিন্তু দেশের মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হয়েছে, ব্যাঙ্কিং খাত ধীরে ধীরে আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারও। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়ে বলা হয়েছে, প্রকৃত প্রবৃদ্ধির হার বা জিডিপি (GDP) বৃদ্ধি ৭.৪ শতাংশ হতে পারে। চলতি অর্থবর্ষেও ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি হিসেবে অবস্থান বজায় রেখেছে। আগামী অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধি সম্ভাবনা রয়েছে ৬.৮ শতাংশ থেকে ৭.২ শতাংশ। বৃদ্ধির সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ৭ শতাংশ, যা উৎপাদনশীলতা, বিনিয়োগ ও কাঠামোগত সংস্কারের ফল।
আরও পড়ুন: Johnson Baby Powder: জনসনের বেবি পাউডারে ক্যানসারের বিষ! আইনি সংকটে কম্পানি
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৫ অর্থবর্ষে কেন্দ্রের রাজস্ব আয় জিডিপি (GDP)–র ৯.২ শতাংশে পৌঁছেছে। নন–কর্পোরেট কর আদায় ও সরাসরি করের বিস্তার বৃদ্ধির ফলে এই অগ্রগতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে দারুণ সাড়া পাওয়া গিয়েছে। যেমন প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা (PMJDY)-এ ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ৫৫.০২ কোটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬.৬৩ কোটি অ্যাকাউন্ট গ্রামীণ ও শহরতলি এলাকায়। এ বছরে দেশবাসী বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ১২ কোটির বেশি ইউনিক ইনভেস্টর তৈরি হয়েছে, অর্থাৎ যারা প্রথমবার বিনিয়োগকারী। এর মধ্যে আবার প্রায় ২৫ শতাংশ মহিলা বিনিয়োগকারী, যা দেশের আর্থিক সচেতনতার বিস্তারকে নির্দেশ করে। ২০২৬ সালের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে ফরেক্স রিজার্ভের অঙ্ক হল ৭০১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মুদ্রাস্ফীতিও কমেছে। সব মিলিয়ে দ্রুত এগিয়ে ছেলেছে ভারতের অর্থনীতি।
