শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পুরস্কার না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথম থেকেই ট্রাম্পের লক্ষ্য গ্রিনল্যান্ড। গ্রীনল্যান্ডে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান হবে বলে জানাল হোয়াইট হাউস। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন বলে কয়েক দিন ধরেই দাবি করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর পরেই পালটা সুর চড়িয়েছেন গ্রিনল্যান্ডের ‘অভিভাবক’ ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসেন। এই আবহে গ্রিনল্যান্ডের পাশেই দাঁড়িয়েছে ব্রিটেন, জার্মানির মতো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। ঘটনাচক্রে, তার পরেই গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে বিবৃতি দিল হোয়াইট হাউস।
{link}
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস বলেছে, “বৈদেশিক নীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর টিম। প্রয়োজনে সেনাও নামানো হবে। তার দায়িত্বে থাকবেন কমান্ডার-ইন চিফ।” ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রিনল্যান্ড প্রায় ৩০০ বছর ধরে কোপেনহাগেন (ডেনমার্কের রাজধানী)-এর নিয়ন্ত্রণে। নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি পরিচালনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব দ্বীপটির স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ দেখেন। আর বিদেশ এবং প্রতিরক্ষানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ডেনমার্ক সরকার। ঘটনাচক্রে, ডেনমার্ক আবার আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য। আমেরিকার সঙ্গে ডেনমার্কের সম্পর্কও বরাবর ভালো। সেই কথা স্মরণ করিয়ে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, “আমেরিকার কাছে আমার আর্জি, ঘনিষ্ঠ সঙ্গীকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন।”
{ads}