শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: চিরকাল আমেরিকা তার আগ্রাসী নীতির কারণে বিশ্বে নিন্দিত। এবার ভেনেজুয়ালার সঙ্গে আমেরিকা যা করলো তা ভয়ঙ্কর। রবিবার ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেসকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিয়োগ করে। ক্ষমতায় আসীন হয়েই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ডেলসি। আমেরিকার সামরিক অভিযানকে ‘বর্বরোচিত’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি মাদুরোকে ‘একমাত্র প্রেসিডেন্ট’ বলে অভিহিত করে মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন ডেলসি। কিন্তু এবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভোলবদল করলেন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেলিগ্রামে ডেলসি লিখেছেন, ‘আমরা যৌথ উন্নয়নের স্বার্থে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরির জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি, একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকারকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’ সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেলিগ্রামে ডেলসি লিখেছেন, ‘আমরা যৌথ উন্নয়নের স্বার্থে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরির জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি, একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকারকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’
{link}
ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে ডেলসি বলেছেন, ‘আমাদের এই দেশের জন্য যুদ্ধ নয়, বরং শান্তি প্রাপ্য।’ উল্লেখ্য, ডেলসিকে নিয়ে প্রথমে ইতিবাচক বার্তাই দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাদুরোকে ‘বন্দি’ করার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ডেলসি আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করবে বলেই আমার ধারণা।’ কিন্তু তা হয়নি। ট্রাম্পের ‘বিশ্বাস’ ভেঙে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ডেলসি। তবে তাও বেশি সময় টিকল না। পক্ষ বদল করে নিলেন মাদুরো-ঘনিষ্ঠ ভেনেজুয়েলার তেল মন্ত্রী তথা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেস। কিন্তু আচমকা বদলের কারণ কী? একাংশ মনে করছেন, ট্রাম্পের হুঙ্কারেই কেঁপে উঠেছেন ডেলসি। রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘ভেনেজুয়েলা যদি আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তা হলে আমরা আবার হামলা চালাতে প্রস্তুত।‘
{ads}