শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্টন ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র আগ্রাসী নীতি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। শুধু তেলের জন্য তিনি কুৎসিতভাবেই বন্দি করলেন ভেঙেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে। গত ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালায় মার্কিন সেনা। মাত্র আধ ঘণ্টার অপারেশনে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে মার্কিন সেনা। ভেনেজুয়েলা থেকে মাদুরোকে নিয়ে এসে বন্দি করা হয়েছে মার্কিন জেলে। ভেনেজুয়েলার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েছেন ডেলসি রডরিগেজ। কিন্তু তেল বিক্রি থেকে শুরু করে বিদেশনীতি-কারাকাসের যাবতীয় কার্যকলাপ বকলমে নিয়ন্ত্রণ করছে ওয়াশিংটনই।
{link}
তারপরে আজ,সোমবার সকালে দেখা, ভেনেজুয়েলার কার্যকরী প্রেসিডেন্ট হিসাবে লেখা রয়েছে ট্রাম্পের নাম। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডেলসি রডরিগেজকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদে বসিয়ে বকলমে দেশ চালাচ্ছেন ট্রাম্পই। কিন্তু একেবারে সরাসরি প্রেসিডেন্ট হিসাবেই লিখে দেওয়া হল ট্রাম্পের নাম! ভারতীয় সময় সোমবার সকালে নিজস্ব সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন ট্রাম্প। সেটা দেখে বোঝা যাচ্ছে, উইকিপিডিয়া পেজ থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের পরিচয় হিসাবে সবার উপরে রয়েছে তাঁর অফিশিয়াল পোর্ট্রেট। তারপরেই লেখা,’ভেনেজুয়েলার অ্যাক্টিং প্রেসিডেন্ট’ অর্থাৎ ভেনেজুয়েলার কার্যকরী ‘শাসক’। খানিকক্ষণ পরে উইকিপিডিয়া থেকে ওই কথাটি সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে ট্রাম্পের পোস্ট করা স্ক্রিনশট। একটু ঘুরিয়ে ট্রাম্প বিশ্ববাসীর কাছে এই বার্তায় পৌঁছে দিলো যা ভেনেজুয়েলা এখন তাঁরই অধীনে। বাকি বিশ্ব সম্পূর্ণ নীরব।
{ads}