শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ট্রাম্পের মুখের উপর আপত্তি করার সাহস নেই পাকিস্তানের। আবার যদি ওখানে পাকিস্তানী সেনা পাঠানো হয় তাহলে দেশের অভ্যন্তরে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়বে পাকিস্তানের সেনা সর্বাধিনায়ক আসিম মুনির। তাহলে? ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের আবদার রাখতে গিয়ে বিষম খাওয়ার জোগাড় পাকিস্তানের সেনা সর্বাধিনায়ক আসিফ মুনিরের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। যার ভিত্তিতে হামাসের গড়ে এবার মোতায়েন করা হবে আন্তর্জাতিক সেনাবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প চাইছেন গাজার মাটিতে সেনা পাঠাক পাকিস্তানও। সেই লক্ষ্যে মুনিরের উপর চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। ‘বন্ধু’র এই প্রস্তাব পাকিস্তান না পারছে গিলতে, না পারছে উগরাতে। কারণ, গাজায় সেনা পাঠানোর অর্থ ইজরায়েলের পথে হেঁটে হামাসের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা। যে ইজরায়েলকে পাকিস্তান দেশের স্বীকৃতি দেয়নি, যে হামাসকে তারা ‘বন্ধু’ মনে করে তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলে মুসলিম রাষ্ট্রগুলির সামনে লজ্জার শেষ থাকবে না।
{link}
সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের নীতি মেনে গাজায় যে আন্তর্জাতিক সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে সেখানে পাকিস্তানের সেনাকেও যেন পাঠানো হয়। ইসলামাবাদের তরফে এই ইস্যুতে প্রকাশ্যে কিছু না জানানো হলেও মুনির কোনওভাবেই চান না সেখানে সেনা পাঠাতে। সূত্রের খবর, এই ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা করতে শীঘ্রই আমেরিকা যাবেন মুনির। গত ৬ মাসের মধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে মুনিরের এটা তৃতীয় বৈঠক হতে চলেছে। আর সেই আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হতে চলেছে গাজা প্রসঙ্গ।
{ads}