শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব আবার নতুন করে দাদাগিরি শুরু করেছে আমেরিকা। বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকেই ‘মার্কিন দাদাগিরি’ দেখছে পৃথিবী। সর্বশেষ উদাহরণ ভেনেজুয়েলায়। দেশটির প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিকে তুলে নিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। এমনকী তেলের ভাণ্ডারের দখল নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দেশ চালাবেন তাঁরাই। প্রশ্ন উঠছে, নির্লজ্জ ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ’ কি সমকালীন বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তি চিনকে লালায়িত করবে তাইওয়ানের দখল নিতে? দীর্ঘ দিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে আসছে চিন। সংশ্লিষ্ট দ্বীপটিকে স্বাধীন দেশ বলে মানতে নারাজ বেজিং। প্রাক্তন ফরমোজার পাশাপাশি জাপানের বেশ কয়েকটি দ্বীপ কব্জা করার পরিকল্পনা রয়েছে বিস্তারবাদী নীতিতে বিশ্বাসী ড্রাগনের। এর জেরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র হচ্ছে সংঘাত।
{link}
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে প্রথমবার তাইওয়ান প্রণালীতে জাপানি যুদ্ধজাহাজের ‘অনুপ্রবেশ’ ঘিরে দু’দেশের সংঘাতের শুরু হয়। সম্প্রতি, সরাসরি টোকিয়োর বিরুদ্ধেও সামরিক আগ্রাসনের হুমকি দিয়েছে বেজিং। মাঝে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ অভিযোগ করেন, এশিয়ায় ‘ক্ষমতার ভারসাম্য’কে নষ্ট করাই চিনের লক্ষ্য। সেই কারণেই ওই অঞ্চলে আমেরিকার মিত্রদেশগুলিকে নিরাপত্তা খাতে আরও বেশি ব্যয় করার পরামর্শ দিয়েছেন পিট। এমনকী, চিন তাইওয়ানের দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাস্তবেই সেই পথে হাঁটছে বেজিং? গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর সকালে হঠাৎ করেই তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়া শুরু করেছিল লালফৌজ। এতে স্থল-জল-বিমানবাহিনীকে একসঙ্গে নামিয়েছিল বেজিং। সংশ্লিষ্ট যুদ্ধাভ্যাসের পোশাকি নাম ছিল ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’। এই চিন বিবৃতি দেয়, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বার্তা’ দিতেই ওই মহড়া চালানো হয়েছে। অভিযোগ, চিন-তাইওয়ানের উত্তেজনা বাড়াতে অনুঘটকের কাজ করছে আমেরিকা।
{ads}