শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: এবার হয়তো ইরান একটু মাথা নোয়াবে। আর তা যদি হয়, তা হবে বিশ্ব শান্তির একটা অন্যতম পদক্ষেপ। ইরানের বিরুদ্ধে চলা সংঘর্ষ, আমেরিকার জন্য খুবই খরচসাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। পেন্টাগনের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই আমেরিকান ট্যাক্সপেয়ার-দের অন্তত ১১.৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়ে গিয়েছে। এই সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট আমেরিকার সামনে যুদ্ধ শেষ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে এর সঙ্গে তিনি তিনটি শর্তও বেঁধে দিয়েছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশ্কিয়ান বলেছেন, তেহরান আঞ্চলিক শান্তির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু বর্তমান সংঘর্ষ তখনই শেষ হতে পারে যখন ইরানের ‘বৈধ অধিকার’-কে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, যেকোনও সমাধানের জন্য ইরানের প্রধান দাবিগুলো মেনে নেওয়া জরুরি হবে।
{link}
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে প্রায় ‘বন্ধ’ হয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালী। এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের চেষ্টা করার সময়ে মাঝে মধ্যেই হামলার শিকার হচ্ছে পণ্যবাহী জাহাজ। বুধবার গুজরাতমুখী একটি জাহাজও আক্রান্ত হয় হরমুজ প্রণালীতে। পণ্যবাহী জাহাজে হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে দিল্লিও। অন্য দিকে, বুধবারই ফের ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। ইরানের বিস্ফোরকবোঝাই ১৬টি নৌকা ধ্বংসের দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী। ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে এই সঙ্কটের সমাধানের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দরকার। একদিকে যখন পেন্টাগন বলছে যে এই যুদ্ধের জন্য প্রতিদিন আরব ডলার খরচ হচ্ছে, তখন অন্যদিকে ট্রাম্প জয়ের দাবি করছেন। আমেরিকার কেন্টাকিতে এক র্যালিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে যুদ্ধ আমেরিকা জিতে গিয়েছে। যদিও তিনি পরে বলেছেন যে এই অপারেশন শেষ হবে না। তিনি দাবি করেছেন যে এখনও পর্যন্ত ইরানের ৫৮টা নৌসেনা জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। এবং স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাবে আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেছেন যে এই যুদ্ধ খুব তাড়াতাড়ি শেষ হতে পারে, কিন্তু তার জন্য তিনি কোনও স্পষ্ট সময়সীমা বলেননি।

