শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: প্রশ্ন উঠেছে যে কেন ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরৎ পাঠাবে! ভারত চিরকাল শান্তি ও মৈত্রীর দেশ। ভারতের কাছে কেউ কখনো আশ্রয় চাইলে ভারত তাকে 'না' করে না। এটাই প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতি। এখন প্রশ্ন, ওদের ট্রাইবুনালের রায় অনুযায়ী হাসিনা একজন অপরাধী, খুনি! এবার? হাসিনার রায়দানের পর আন্তর্জাতিক স্তরে তৎপর ঢাকা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় বাংলাদেশ। ফেরত চায় প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খান কামালকেও। কিন্তু এনারা কোথায় রয়েছেন? বাংলাদেশের কথায়, নয়াদিল্লি আশ্রয় দিয়েছে এই দুই নেতাকে। তাই নয়াদিল্লিকে প্রত্যর্পণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। পাশাপাশি, দুই প্রক্রিয়ায় নয়াদিল্লিকে চিঠি পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। কিন্তু আবার প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশে কোনো গানতান্ত্রিক সরকার নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশ কি মানতে হবে?
{link}
এদিন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা বলেন, ‘হাসিনা ও আসাদুজ্জামানকে ফেরত আনতে হবে। যেহেতু আদালত তাঁদের শাস্তি দিয়েছে। সে জন্য আমরা ভারতকে আনুষ্ঠানিক ভাবে সেই বিষয়টা জানাব। দু’টি প্রক্রিয়ায় চিঠিও পাঠাব।’ শুধু তা-ই নয়, রায় ঘোষণার পরেই একটি বিবৃতিও জারি করে বাংলাদেশে বিদেশমন্ত্রক। তাতে তারা জানায়, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায়ের পর আমরা ভারত সরকারের কাছে অনতিলম্বে দুই অপরাধীকে বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এই প্রসঙ্গে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষর হওয়া প্রত্যর্পণ চুক্তির কথাও তুলে ধরে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। তাঁদের দাবি, ‘দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এটি ভারতের জন্য অবশ্যই পালনীয় একটি দায়িত্ব।’কিন্তু ভারত আরো সময় নেবে। আন্তর্জাতিক মহলে এই নিয়ে আলোচনা করবে। সিদ্ধান্ত তারপরে। তবে একজন আশ্রয় নেওয়া মানুষকে ফাঁসির দড়ির উপর ছুঁড়ে দেওয়া যে মোটেই মানবিক কাজ হবে না, তা বিলক্ষণ জানে ভারত।
{ads}