শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে ভোট। তা নিয়ে তৎপরতা তুঙ্গে। কিন্তু বাংলাদেশ কি ভোট করার মতো পরিস্থিতি আছে? এক চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। এই অবস্থাতেই গোপন আস্তানা থেকে এক বার্তা প্রকাশ করলেন শেখ হাসিনা। হাসিনার দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইউনুস সরকার। এমতাবস্থায় এক আবেদনপত্র প্রকাশ করে ভোট বয়কটের দাবি তুলল আওয়ামি লিগ। সেই আবেদনপত্রের শিরোনামেই লেখা হয়েছে ‘নো বোট নো ভোট’। প্রসঙ্গত, আওয়ামি লিগের প্রতীক নৌকা তথা বোট। আবেদনপত্রে লেখা হয়েছে- ‘ফ্যাসিস্ট ইউনুস জঙ্গি পাহারায় ভোট করাতে চায়। সেই ভোট দিতে যাবেন না। যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক থাকবে না, যে নির্বাচনে আওয়ামি লিগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না, সেখানে আমাদের সমর্থক কোনও ভোটারেরা কেউ ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।’ একেবারে শেষে লেখা হয়েছে, ‘জেগে ওঠো বাংলাদেশ/ রুখে দাঁড়াও বীর বাঙালি/ হটাও ইউনুস বাঁচাও দেশ/ দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশ/ প্রহসনের নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণ মানবে না।’
{link}
তাদের পরিষ্কার দাবি, ইউনুসকে পদত্যাগ করতে হবে। এবং জনগণের দ্বারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে হাওয়া গরম বাংলাদেশে। হাসিনা সরকার পতনের পর সেখানে আপাতত অন্তর্বর্তী সরকার, যার শীর্ষে রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুস। দেশের অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষমতায় আসার পরই সুযোগ বুঝে একদা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামি লিগের সমস্ত রাজনৈতিক কার্যকলাপ কার্যত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার দল লড়তে পারবে না। কিন্তু লড়াইয়ের ময়দান সহজে ছাড়তে নারাজ আওয়ামি লিগ। নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বাংলাদেশ জুড়ে বিক্ষিপ্ত বিভিন্ন কর্মসূচি করছে আওয়ামি লিগ।
{ads}