শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশ সম্ভবত সামনের ফেব্রুয়ারিতে ভোট হতে চলেছে। বাস্তনিক সেখানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ সহ সেনাবাহিনীও একটি পার্টি হয়ে গেছে। সেই কারণেই মহম্মদ ইউনুসকে সাবধান করে বিএনপি জানিয়েছে, তিনি যেন সেনাবাহিনীর কোনো সাহায্য না নেন। সব রাজনৈতিক দলের একটি এমার্জেন্সি মিটিংয়ে বিএনপি-র স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে সরাসরি বলেন, 'আমরা চাই, সেনা বাহিনীর সঙ্গে আপনারা ভাল সম্পর্ক বজায় রাখুন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভারসাম্য যাতে নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করতেই হবে। আমরা এমন কিছু ঝুঁকি যাতে না নিই, যা আমরা সামলাতে পারব না।'
{link}
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সতর্কতার মূল কারণ, সম্প্রতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৬ জন কর্মরত সেনা অফিসার ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। তারা আগের সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিরোধীদের অপহরণ ও নির্যাতনে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। সেনাবাহিনী তৎক্ষণাৎ ১৫ জন অফিসারকে সামরিক হেফাজতে নেয়, কিন্তু জানিয়েছে,তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও পরোয়ানার কপি পায়নি। ফলে এখন প্রশ্ন উঠছে, এই অফিসারদের বিচার সিভিল আদালতে, নাকি সেনা আদালতে হবে? বিএনপি-র আশঙ্কা, সেনা বাহিনী ও অন্তর্বর্তী সরকারের সংঘাত তৈরি হলে তার সুবিধা নিতে পারে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লিগ। ওই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা রাজনৈতিক জমি তৈরি করা শুরু করে দেবে। সালাহউদ্দিনের কথায়, 'বাস্তব পরিস্থিতি বুঝে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।'
{ads}