শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: হাজার টাকার এই প্রশ্নের উত্তর আছে একমাত্র খালেদাপুত্র তারেক রহমানের কাছে। তবে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বলছে তারেক আসায় শান্ত হবে ভারত। কিন্তু তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে -
- ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কি নতুনভাবে গড়ে উঠবে?
- অতীতের তিক্ত ইতিহাস কি ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলবে?
- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবস্থান কতটা বদলাবে?
{link}
১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে থাকার পর গত ডিসেম্বরে দেশে ফিরে তারেক রহমান যে রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন, তা আপাতত ভারতের পক্ষে ইতিবাচক। তিনি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির কথা বলেছেন, যা অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’-এর আদলে। তারেক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ভারত, চিন ও পাকিস্তানের মতো আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে বাংলাদেশ সমান দূরত্ব বজায় রেখে চলবে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকা পাকিস্তান ও চিনের দিকে বেশি ঝুঁকছিল, ফলে তারেকের এই অবস্থান ভারতের কাছে আপাতত স্বস্তিদায়ক। বাস্তবতা অনুযায়ী ভারত ছাড়া বাংলাদেশের চলবে না। কারণ, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। বিদ্যুৎ, বাণিজ্য, ট্রানজিট, নদী জল, রেল-সড়ক যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রেই ভারত বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য।
{link}
গত বছর তারেকের মা ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতের পক্ষ সহায়তার প্রস্তাব দেন। বিএনপিও সেই বার্তার কৃতজ্ঞতা জানায়। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ছিলেন ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর প্রথম ভারতীয় মন্ত্রী হিসেবে ঢাকা সফর করেন। সেখানেই তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং PM মোদীর ব্যক্তিগত চিঠিও তুলে দেন। এছাড়াও, শুক্রবার তারেক রহমানকে অভিনন্দনও জানান নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে চাই।” নয়াদিল্লির এহেন পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে, পদ্মাপারের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। ব্যাস এটাই হয়তো শেষ কথা।
{ads}