পরমাণু অস্ত্রই শেষ কথা। আর সেই অস্ত্রের প্রতিযোগিতার জেরেই বর্তমানে জ্বলছে সম্পূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য। যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন ইরান-ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি এই যুদ্ধের উত্তপ্ত আবহেই ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। একটি সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ট্রাম্প আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে কেন ইরানের বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এমনকি তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার কারণে গোটা বিশ্ব উপকৃত হতে চলেছে বলেও ধারণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
{link}
সুর চড়িয়ে ট্রাম্পের আরও দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমে গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে রক্ষা করেছে আমেরিকা। ট্রাম্পের মতে, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র আসার পরিণতি হবে ভয়াবহ। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘পরমাণু বোমা হাতে পেলেই ভয়াবহ হামলা চালাবে ইরান। তছনছ হয়ে যাবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। তাই আমরা চাই না ইরানের হাতে এই মারণাস্ত্র আসুক।‘
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরান প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি অন্য যে কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার বিষয়ে সেইভাবে আগ্রহী নই। কিন্তু ইরানের নেতারা হিংসাত্মক ও বিষাক্ত। ওরা মাত্র ৩ সপ্তাহের মধ্যে ৩২ হাজার আন্দোলনকারীকে হত্যা করেছে। এরপরও যদি আপনি মনে করেন, ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা দরকার, তবে তার পরিণতি কী হতে পারে সেটাও জানা উচিত। যদি ওরা এই মারণাস্ত্র পেয়ে যায় তবে এক ঘণ্টার মধ্যে বা একদিনের মধ্যে তা ব্যবহার করে ফেলবে। এই পরিস্থিতিতে শুধু ইজরায়েলের অস্তিত্ব সংকট নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উড়িয়ে দেবে ওরা। ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে পড়ব সম্পূর্ণ বিশ্ব।”
{link}
উল্লেখ্য, আমেরিকা ও ইজরায়েল শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে ইরান। সেটাই তাদের যুদ্ধ শুরু করার একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এমনকী ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া ৬০ শতাংশের উপরে পৌঁছে গিয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। যা শান্তিপূর্ণ পরমাণু সমৃদ্ধকরণের তুলনায় অনেক বেশি ও ভয়াবহ। ইরানের সেই পরমাণু ভাণ্ডার ধ্বংস করতেই গত বছরেও হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল। কিছু সময় আগেই নতুন করে ফের শুরু হয়েছে ভয়াবহ যুদ্ধ। যার মূল কারণ সেই পরমাণু অস্ত্রই। যদিও ইরান বারবার বলে এসেছে তারা কোনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে না। পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরানের শীর্ষনেতৃত্ব।
{ads}