ট্রাম্প যে বিশ্বের 'দাদা' হয়ে ওঠার জন্য মরিয়া তা আমরা সকলেই বুঝতে পারছি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে এখন আবার শান্তি চুক্তির কথা বলছে - তা আবার রীতিমত হুমকির সুরে। বৃহস্পতিবার কার্যত হুঁশিয়ারির সূরে তিনি বললেন, “খুব বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিক ওরা।” ট্রুথ সোশালের পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানকে “সামরিকভাবে নিশ্চিহ্ন” করে দেওয়া হয়েছে। ওদের “ফিরে আসার কোনও সম্ভাবনাই নেই”।
{link}
ট্রাম্পের বক্তব্য, মার্কিন-ইজরায়েল হামলায় বিপর্যস্ত ইরান। নিজেরাই আলোচনার জন্য ধরাধরি করছে। অথচ তারা মার্কিন শর্ত মেনে আলোচনায় রাজি হচ্ছে না। এটা ‘অদ্ভুত’ আচরণ। ট্রুথ সোশাল ট্রাম্প লিখেছেন, “ইরানের পক্ষের আলোচকরা খুবই ভিন্ন এবং অদ্ভুত। তারা আমাদের কাছে শান্তিচুক্তির জন্য মিনতি করছে, যা তাদের করাই উচিত, কারণ তারা সামরিকভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনাই নেই, অথচ তারা প্রকাশ্যে বলছে যে তারা কেবল আমাদের প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছে।”
{link}
এর পরেই হুমকির সূরে ট্রাম্প বলেন, “এটা ভুল করছে ওরা (ইরান)। বিষয়টিকে গুরত্ব দিয়ে দেখা উচিত ওদের। এর পর দেরি হয়ে যাবে। ফিরে আসার কোনও পথ থাকবে না।” মঙ্গলবার ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান তাঁকে বিরাট উপহার পাঠিয়েছে। যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ওরা। আলোচনা সঠিক লোকেদের সঙ্গে চলছে বলেও জানান ট্রাম্প। এসবের মাঝেই সামনে এসেছে ১৫ দফা শর্ত। কিন্তু আমেরিকার এই ১৫ দফা শর্ত ইরান মানবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ঘোর সংশয়। তবে সূত্রের খবর, ইরান পাঁচ বছরের জন্য় তাদের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা হ্রাস করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
