শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ফের হড়পা বানের সতর্কবার্তা (অ্যালার্ট) নেপালে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, নেপাল সীমান্তবর্তী তিব্বতে হিমবাহ ভেঙে তৈরি হওয়া একটি হ্রদ বা জলাধারের জল উপচে ক্রমশ নিম্ন অববাহিকার দিকে নামছে। তিব্বত লাগোয়া জেলা নেপালের রাসুয়াতে ইতিমধ্যেই হড়পা বানের জল ঢোকার খবর পাওয়া গিয়েছে। বুধবারের হড়পা বানেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল নেপালের এই জেলা। সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই তিব্বত এবং নেপালের দিকে উদ্ধারকাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।নেপাল পুলিশের আশঙ্কা, হ্রদের পাড় ভেঙে বুধবারের চেয়েও বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে শুক্রবার। নেপাল পুলিশের অন্যতম শীর্ষ পদাধিকারী পি চৌধরী সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “নদীর জলস্তর বাড়ছে। তাই সবাইকে থামানো হয়েছে। যে গাড়িগুলি উদ্ধারকাজে গিয়েছিল, সেগুলি ফিরে আসছে। প্রত্যেককে নীচু এলাকা থেকে সরিয়ে আনা হচ্ছে এবং নিরাপদ জায়গায় পাঠানো হচ্ছে। যদিও এখনও বন্যা শুরু হয়নি। তাই আমরা সবাই সতর্ক রয়েছি।” ফের হড়পা বানের আশঙ্কার মধ্যেই মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে বসেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ।
নেপালে ফের হড়পা বানের আশঙ্কা ছিলই। এই মর্মে পড়শি নেপালকে বৃহস্পতিবারই সতর্ক করেছিল চিন। চিনের তরফে জানানো হয়, হিমবাহধসের কারণে যে বিপর্যয় নেমে এসেছিল, সেই বিপর্যয়ের পর তুষার, পাথর, কাদামাটি পাহাড়ি নদীগুলির খাতে এসে জমা হয়েছে। পাথর, কাদামাটি অনেক জায়গায় জমা হয়ে নদীগুলির স্বাভাবিক প্রবাহ রুদ্ধ করে দিয়েছে। অস্থায়ী জলাধারের মতো কাজ করছে সেগুলি। ফলে জলের চাপে সেগুলির পাড় ভেঙে ফের পাথর, তুষার, কাদামাটি পাহাড়ি নদীগুলি ধরে নিম্ন অববাহিকায় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা। হিমবাহধসের পর ভোটেকোশী নদীতে ঠিক এমনটাই হয়েছিল বুধবার সকালে। এই কারণে নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে সমস্ত বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে নেপাল প্রশাসনও।
বৃহস্পতিবার রাতে চিনের জলসম্পদ দফতর সতর্কতা জারি করে জানা, পাথর-কাদা, তুষার জমে তিব্বতের দুই নদী ছোকেন খোলা এবং পুরেপি সাংপোর সংযোগস্থলে একটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হয়েছে। এই দুই নদীই তিব্বত থেকে নেপালে ঢুকেছে। কৃত্রিম হ্রদ ফেটে ফের বিপর্যয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না চিন।
Nepal Flash Flood: আবারো হড়পা বানের হাই অ্যালার্ট জারি নেপালে!
Loading...
আন্তর্জাতিক
#Nepal Flood
#Nepal Flash Flood
#Crisis
#Death
#Flash Flood
#হড়পা বান
#বন্যা
#নেপাল
#ভয়াবহতা
#হতাহত
সর্বশেষ আপডেট:
