এই মুহূর্তে যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কারণে সম্পূর্ণ বিশ্বজুড়ে সংকটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কবে থামবে যুদ্ধ? এই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী, কোন দিকে যাচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি? বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের মতে, প্রথম থেকেই ইজরাইলের মাথায় আমেরিকার হাত রয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতির চাপে, এখন আমেরিকাও কি কিছুটা সরে আসছে! বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ শহর হিসেবে এতদিন পরিচয় ছিল ডিমোনার। ইজরায়েলের সেই শহরেই মিসাইলের মাধ্যমে আঘাত হেনেছে ইরান। মিসাইল স্ট্রাইকের খবর ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে।
{link}
ইরানের দাবি তাঁদের আঘাতে কমপক্ষে ৭৫ জন আহত হয়েছেন। এমনকি কিছু লোকের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেছে তাঁরা। উল্লেখ্য বিষয়, ইজরায়েলের মরুভূমিতে অবস্থিত ডিমোনা শহরটির আকার ছোট হলেও, বিশ্বজুড়ে এটির নাম ছড়িয়েছে একটি বিশেষ কারণে। এই শহরেই রয়েছে ইজরায়েলের পরমাণু রিঅ্যাক্টর। এই চুল্লি রক্ষার জন্য ইজরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং উন্নত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম আয়রন ডোম মোতায়েন করেছে। ফলে বিশ্বের ধারণা ছিল, কোনও মিসাইলই এই প্রহরা পেরিয়ে ডিমোনা শহরে আঘাত হানতে পারবে না। কিন্তু সকলকে চমকে দিয়ে ইরানি মিসাইল আঘাত হেনেছে এই শহরেই। সেই কারণেই সম্পূর্ণ বিশ্ব কে নিজেদের রণকৌশলের মাধ্যমে চমকে দিয়েছে ইরান।
{link}
এবিষয়ে ইরানের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের অয়েল ফিল্ড ও পরমাণু কেন্দ্রে আমেরিকা ও ইজরায়েলের তরফে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই বিষয়টির প্রেক্ষিতেই ইরান এখন জবাবি হামলা করছে। আর সেই হামলাতেই কেঁপে উঠেছে ইজরায়েলের মাটি। এই আক্রমণের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ’। আইআরজিসি দাবি করেছে, মোট ৫টি শহরে হামলার ফলে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছে। এরমধ্যে শুধুমাত্র ডিমোনাতেই বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
{link}
যদিও, এবিষয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ইরান। এই প্রসঙ্গে ইজরায়েলের সংবাদমাধ্যমের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার কারণে শুধুমাত্র ৭৫ জন মানুষ আহত হয়েছেন। কোনও নিহতের বিষয় প্রকাশ করেনি ইজরায়েল। IRGC-র তরফে বলা হয়েছে, "যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।" তাঁদের দাবি, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বলে মনে করা ইজরায়েলের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, এখন ভেঙে পড়ছে। ফলে, যুদ্ধের মোড়ও ঘুরে যাবে বলে ধারণা করছেন তাঁরা।
{ads}