শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শত নিষেধ সত্বেও পাকিস্তান কিছুতেই কোনো কোনো কথা শুনছেনা। বৃস্পতিবার আবার তারা ড্রোন হামলা চালালো আফগানিস্তানে। জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের অন্তত ১০টি এলাকায় আছড়ে পড়েছে ড্রোন। ইসলামাবাদের দাবি, সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে ‘জঙ্গি’দের পুষছে আফগানিস্তান। যদিও বরাবরেই মতোই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তালিবান প্রশাসন। তারা জানিয়েছে, পাক হামলায় এখনও পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লা তারার এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে সমস্ত সামরিক শক্তি কাজ করছে, তাদেরকেই চিহ্নিত করে হামলা চালানো হয়েছে। একেবারে হিসাব কষে নিশানা করা হয়েছে এই এলাকাগুলি।’ যদিও আফগানিস্তান এই অভিযোগ বাতিল করেছে। কাবুলের মতে, পাক বিরোধী কোনও শক্তিকে মোটেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না। আসলে পাকিস্তানের অন্দরেই মাথাচাড়া দিচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি। সেটা আসলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। কিন্তু সেই সমস্যার দায় আফগানিস্তানের উপর চাপিয়ে দিয়ে বারবার হামলা চালাচ্ছে পাক সেনা।
দিনদুয়েক আগেও একইভাবে আফগানিস্তানে আক্রমণ করেছিল পাকিস্তান। এই হামলার নিন্দায় সরব হয় ভারত। বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দেয়, এহেন আগ্রাসী মানসিকতা আঞ্চলিক শান্তি এবং নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে। এক সপ্তাহে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানে আক্রমণ করল পাক সেনা। তালিবান সুপ্রিম লিডার হিবাতুল্লা আখুন্দজাদার বাসভবন কান্দাহারেও হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তানের যেসব এলাকা থেকে হামলা হয়েছিল সেই এলাকাগুলি চিহ্নিত করেই পালটা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই তালিবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের বিরোধ চলছে। সাম্প্রতিক অতীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল দুই দেশ। হামলা এবং পালটা হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি। সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে দফায় দফায় ডুরান্ড লাইন পেরিয়ে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যার জেরে মৃত্যু হয়েছে সেখানকার বহু সাধারণ নাগরিকের।
.jpeg)
