শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তর আরব সাগরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক স্তরে বিপুল বিতর্ক তৈরী হয়। ভারত সরকার সূত্রে জানা যাচ্ছে,ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর না মিললেও উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। কী ঘটেছিল আন্তর্জাতিক জলসীমায়? কীভাবে সংঘর্ষ হল দুই যুদ্ধজাহাজের? ঘটনার পর ভারতীয় রণতরীর বিস্তারিত ‘লগ’ এবং কার্যক্রম-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সেখান থেকে জানা গিয়েছে, এহেন ঘটনা এটি কোনও ত্রুটির কারণে ঘটেনি। পাকিস্তানের ‘পিএনএস হুনাইন’ যুদ্ধজাহাজটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ভারতীয় রণতরীর সামনে চলে এসে গতিপথ বদল করে। সূত্রের খবর, সাগরে পাক যুদ্ধজাহাজটি ভারতের রণতরীটিকে দীর্ঘক্ষণ ধরে অনুসরণ করে।
সেটিকে একাধিকবার সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও ‘পিএনএস হুনাইন’ তা উপেক্ষা করে। জানা গিয়েছে, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পরিবর্তে, পাক যুদ্ধজাহাজটি হঠাৎ গতি বাড়িয়ে দ্রুত ভারতীয় রণতরীটির দিকে এগিয়ে আসে। একবারে মুখোমুখি যখন দুই যুদ্ধজাহাজ, তখন ‘পিএনএস হুনাইন’ আচমকা আড়াআড়িভাবে গতিপথ বদল করে। এর জেরেই সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় ভারতের বণতরীর কোনও ক্ষতি হয়নি, তবে সংঘর্ষের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাক যুদ্ধজাহাজটি। এরপর সেটি করাচি বন্দরে ফিরে যায়। এই ঘটনার কড়া নিন্দা জানিয়ে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, পাক নৌসেনার এহেন আচরণ ১৯৯১ সালে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সামরিক মহড়া, অভিযান এবং সৈন্য চলাচলের আগাম বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত চুক্তির ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন। পাক যুদ্ধজাহাজের এহেন আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং ‘অপেশাদার আচরণ’ হিসাবে উল্লেখ করেছে ভারত।

