Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 28/08/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Nepal Flood: স্যাটেলাইট চিত্রে ফুটে উঠলো নেপালের ভয়াবহ চিত্র!

Loading... আন্তর্জাতিক
Nepal Flood: স্যাটেলাইট চিত্রে ফুটে উঠলো নেপালের ভয়াবহ চিত্র!
#Nepal Flood #Nepal Flash Flood #Crisis #Death #Flash Flood #হড়পা বান #বন্যা #নেপাল #ভয়াবহতা #হতাহত

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত স্যাটেলাইট ছবিতেই ধরা পড়লো নেপালের এই হড়পা বণের কারণ না, অতিবৃষ্টি নয়, নয় কোনো ভুকম্প। আসল কারণ 'জলবোমা'।জলবোমা’য় তছনছ নেপাল। ভাদ্রের নীল আকাশের নীচে এমন বিপর্যয় দেখে তাজ্জব দুনিয়া। বৃষ্টি নেই, মেঘভাঙা বৃষ্টি তো দূর! তাহলে বিপুল জলরাশি এল কোত্থেকে? নেপাল বিপর্যয় নিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে এই প্রশ্নটাই। আচমকা ‘জলবোমা’ ফাটল কেন? গোড়া থেকেই কাঠগড়ায় ‘তুষারধস’। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোও আগে-পরের উপগ্রহ চিত্র খতিয়ে জানিয়ে দিল, ভিলেন হিমবাহ-ভাঙা ‘তুষারধস’ই। ইংরেজিতে, Ice Avalanche। তবে ঘটনাক্রমে ‘পরিবর্তন’। শুরুতে মনে করা হয়েছিল, বুধবার সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটের ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্পই তুষারধসের নেপথ্যে। ভূমিকম্পের তথ্য আসায় ভাবা হয়েছিল, মাটি কাঁপতেই ভেঙে পড়ে হিমবাহের টুকরো! 

  পরে মার্কিন ভূতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়ে দেয়, আমাদের চিরচেনা ‘ভূমিকম্প’ হয়নি। ৫.২ মাত্রার যে কম্পন রেকর্ড হয়েছে, তার কারণ ওই তুষারধসই। নেপথ্যে তুষারধসের ‘ওজন’! ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল শুগার উপগ্রহ চিত্র ছানবিন করে জানিয়েছেন, ছোটখাট নয়, বিরাট মাপের হিমবাহ-টুকরো ভেঙে পড়ে বুধবার। হিমবাহ-টুকরোর মাপ চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো। শুগারের দেওয়া হিসেব, ২০০০ ফুট চওড়া হিমবাহ-টুকরো সটান ৪০০০ ফুট নীচে আছড়ে পড়ে। গোটা ঘটনাটা ঘটেছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭০০০ ফুট উঁচুতে। অর্থাৎ, মূল হিমবাহ রয়েছে ১৭০০০ ফুটে, তার থেকে বিশালাকার টুকরো ভেঙে পড়েছে ১৩ হাজার ফুটে! এ যেন উপত্যকায় ‘বম্বিং’! শুগারের ব্যাখ্যা, ওই বিশাল চেহারার টুকরো তিব্বতের লেন্ডে নদীতে ভেঙে পড়তেই জল, বরফ, কাদা, পাথর, বোল্ডার মিশে মুহূর্তের মধ্যে ‘জলবোমা’র আকার নেয়। যেহেতু পাহাড়ি নদীর ঢাল বেশি, চোখের পলকে, দু’কুল ভাসিয়ে, বলা ভালো দু’কুল ধ্বংস করতে করতে নামে ‘জলবোমা’। পাহাড় এতটাই খাড়াই, নদীর জলস্তরের উচ্চতা বাড়তে বিশেষ সময় লাগেনি। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট-এর বিজ্ঞানীরা বলছেন, নেপালের গালচির কাছে ৩০ মিনিটেই ত্রিশূলি নদীর জলস্তর ৯ মিটার বেড়ে যায়, মালেখুর কাছে আধ ঘণ্টায় জলস্তর বেড়ে যায় অন্তত ৭ মিটার।

সর্বশেষ আপডেট: