Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Dashamahavidya: ভয়ঙ্কর ছিন্নমস্তা ও অপরূপা ষোড়শী! দশমহাবিদ্যার এই দুই রূপের মাহাত্ম্য জানেন?

Loading... পুজো পার্বন
Dashamahavidya: ভয়ঙ্কর ছিন্নমস্তা ও অপরূপা ষোড়শী! দশমহাবিদ্যার এই দুই রূপের মাহাত্ম্য জানেন?
#Dashamahavidya Rules #Bengali News #Devi Chinnamasta #Who is devi Chinnamasta #Shodashi #Culture #History #দেবী ছিন্নমস্তা #ছিন্নমস্তা কে #দেবী ষোড়শী #ষোড়শী কে

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: দশ মহাবিদ্যা আসলে একই মূল শক্তির বিভিন্ন রুপ। প্রথম ও দ্বিতীয় রুপ হিসাবে ধরা হয় কালী ও তারাকে। এদের মধ্যে অন্য দুই রুপ হলো - ছিন্নমস্তা ও ষোড়শী। এই দুই রূপের মধ্যে দেবীর ছিন্নমস্তা রূপটি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। অপরদিকে দেবী ষোড়শীর মাহাত্ম্যও অপূর্ব। এই দুই দেবীর সম্পর্কে কী কী জানা গিয়েছে? দেখে নিন- 

দেবী ছিন্নমস্তা: দশমহাবিদ্যার তৃতীয় রূপ হল ছিন্নমস্তা। দেবীর এই তৃতীয় রূপই সব থেকে ভয়ঙ্কর। বাম হাতে ধরে আছেন নিজের মাথা এবং গলা থেকে নির্গত রক্তের স্রোত তিন ধারার মধ্য মাঝের ধারা সেই ছিন্ন মস্তকে পান করছেন। বামে মহচরী ডাকিনী ও ডানে সহচরী বর্ণিনী বাকি সেই দুই রক্তধারা পান করছেন। সবাই দিগম্বরী, মুণ্ডমালিনী ও মুক্তকেশী। ছিন্নমস্তা দেবী নানা ফুলে শোভিত। গলায় মুণ্ডমালা এবং নাগ উপবীত। রতি ও কামদেবের উপর ইনি দণ্ডায়মান। 

{link}

একদিন পার্বতী ডাকিনী ও বর্ণিনীকে নিয়ে মন্দাকিনী নদীতে স্নান করতে যান। মন্দাকিনীতে জলকেলী করে উঠে দুই সহচরী আর্তনাদ করে ওঠেন, ‘আমি ক্ষুধার্ত, আমাদের খাদ্য দাও’। কিন্তু ডাকিনী ও বর্ণিনী রক্ত ও মাংস ছাড়া অন্য খাদ্য খায় না। তখন দেবী অট্টহাস্য করে নিজের নখাগ্র দিয়ে নিজের কণ্ঠচ্ছেদ করলেন। ছিন্নমস্তকটি তখন তাঁর বাম হাতে এসে পড়লো। মুক্তকণ্ঠ থেকে তিনটি ধারায় ফিনকী দিয়ে রক্তস্রোত বের হতে লাগল। দেবীর দুই পাশে দাঁড়িয়ে দুই সহচারী সেই দুই রক্তধারা পান করতে লাগলেন। মধ্য ধারা দেবী সেই ছিন্ন মস্তক দ্বারা পান করতে লাগলেন। এই রূপ তিনি স্বামীকে ভয় দেখানোর জন্য এই বিভূতি দেখান।

দেবী ষোড়শী: দশমহাবিদ্যার চতুর্থ রূপ হলো ষোড়শী। তারা রূপ ত্যাগ করে মহাদেবের সামনে আবির্ভূত হলেন ষোড়শী রূপে। দুর্গার অন্য রূপ শতাক্ষীর দেহ হতে আবির্ভূত হন ষোড়শী রূপে। ষোড়শীর অপর নাম স্ত্রী বিদ্যা। ত্রিপুরা সুন্দরী, রাজ রাজেশ্বরী। ত্রিপুর শব্দের অর্থ বলা হয়েছে যিনি ইড়া, পিঙ্গলা ও সুষম্নাতে অথবা মন, চিত্ত ও বুদ্ধিতে অবস্থিত। দেবীর চার হাত, গায়ের রং জবাকুসুমের মতো (ভোরের সূর্যের মতো) হাতে নানাবিধ অস্ত্র। মহাদেবের নাভি পদ্মের উপর দেবী আসীন। নীচে দেবগণ স্তব করছেন। শঙ্করাচার্য ও অভিনব গুপ্ত কর্তৃক এই দেবী পূজিতা হয়েছিলেন।

সর্বশেষ আপডেট: