Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Temples of India: ৩৫০ বছরেরও বেশি সময়ের স্মৃতি! শিবরাত্রিতে ঘুরে আসুন কলকাতার 'মোটা মহাদেব মন্দিরে'

Loading... পুজো পার্বন
Temples of India: ৩৫০ বছরেরও বেশি সময়ের স্মৃতি! শিবরাত্রিতে ঘুরে আসুন কলকাতার 'মোটা মহাদেব মন্দিরে'
#Indian Temples #Shiva Temples #Temples News #Indian Shiva Temples #Shivratri #Mota Mahadev Temple #Bengali News #সংবাদ #মোটা মহাদেব মন্দির #মহাদেব মন্দির

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে অবিরাম বয়ে চলেছে গঙ্গা। তার পাড়েই রয়েছেন দুর্গেশ্বর মোটা মহাদেবের (Mota Mahadev) বাসস্থল। প্রায় ৩৫০ বছরেরও বেশি সময়ের স্মৃতি গায়ে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই মন্দির (Mahadev Temple) । উত্তর কলকাতার নিমতলা শ্মশানকে পেছনে রেখে কিছুদূর হেঁটে গেলেই দর্শন মিলবে। গায়ে বট অশ্বত্থের ঝুরি নিয়ে দন্ডায়মাণ এই প্রাচীন মন্দির। ১৭১৬ সালে হাটখোলার (Hatkhola) দত্ত পরিবারের মদনমোহন দত্তের দুই পুত্র রসিকলাল দত্ত এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে সম্প্রতি কলকাতা হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এই দুর্গেশ্বর মোটা মহাদেবের মন্দিরটি। ভাস্কর্যের নির্মাতা শিল্পী গদাধর দাস। বর্তমানে দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন দীপক পুলোভী এবং গৌড়চন্দ্র মুখোপাধ্যায়।  

  প্রতিদিন ভোর ৫টায় খুলে যায় মন্দিরের দ্বার। শুরু হয় মঙ্গলারতি। আরতির শেষে গর্ভগৃহে প্রবেশ করে শিবলিঙ্গে জল ঢালার অনুমতি রয়েছে। প্রকাণ্ড আয়তনের এই শিবলিঙ্গের মাথায় জল ঢালতে হয় লোহার সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে। ১২ টায় শুরু হয় ভোগ আরতি। এর পর আর কাউকে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় না। ভোগের পর কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ থাকে মন্দির। ফের বিকেল ৪ টের সময়ে খুলে দেওয়া হয় মন্দিরের দরজা। তবে এই সময়ের পর থেকে আর কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয় না গর্ভগৃহে। বাইরে থেকে পুজো দেওয়া যায়। রাত্রি সাড়ে আটটায় হয় সন্ধ্যা আরতি। এরপর প্রার্থনার শেষে শয়নে যান মহাদেব। বন্ধ হয় মন্দিরের দরজা।  হাজারও বিশ্বাস নিয়ে ফি বছর এখানে ভিড় জমান বহু দর্শনার্থী দূর-দূরান্ত থেকে আসেন মানুষ। তাঁদের বিশ্বাস ভক্তের ডাকে সাড়া দিয়ে সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ করেন মোটা মহাদেব। সেবায়তরাও এমনটাই বলছেন। সব মিলিয়ে শ্মশান চত্বরে নানান গল্পগাথা নিয়ে বিরাজমান দুর্গেশ্বর মোটা মহাদেব। মানুষের বিশ্বাস অঞ্চলের সকলের রক্ষাকর্তা তিনিই।

সর্বশেষ আপডেট: