শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: গণেশ চতুর্থী সামনেই। ভারতের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে খুবই ধুমধাম করে পালন হয় গনেশ পুজো। পৌরাণিক বিশ্বাস মতে, পার্বতীর কায়মনোভাব থেকে সৃষ্টি গণেশের মস্তক শিবের ত্রিশূলে ছিন্ন হলে, পরবর্তীতে গজমুণ্ড সংযোগে তিনি পুনর্জীবন পান। ভাদ্রে তাঁর এই মর্ত্যে আগমন ও জন্মতিথিই গণেশ চতুর্থী নামে খ্যাত। ঐতিহাসিক তথ্য বলে, মারাঠা শাসক শিবাজীর সময় থেকে এই উৎসবের গুরুত্ব বাড়লেও ১৮৯৩ সালে লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক গণেশ পূজাকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে সর্বজনীন রূপ দেন। হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে আবার শুরু হতে চলেছে গণপতি বাপ্পার আবাহন। শাস্ত্র ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে বিঘ্নহর্তার এই মহা উৎসব উদযাপিত হবে।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকার গণনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi 2026) পালিত হবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার (২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ)।
* চতুর্থী তিথি আরম্ভ: ১৪ সেপ্টেম্বর, সকাল ৭টা বেজে ০৬ মিনিটে।
* চতুর্থী তিথি সমাপ্তি: ১৫ সেপ্টেম্বর, সকাল ৭টা বেজে ৪৪ মিনিটে।
* মধ্যাহ্ন পূজা ও প্রতিমা স্থাপনের শুভ সময়: ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা ০২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।
এই পুণ্য তিথিতে উপবাস রক্ষা ও দরিদ্র নারায়ণ সেবা করলে গৃহের বাস্তুদোষ কাটানো সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন ভক্তগণ। পশুপাখিকে অন্নপ্রদান এবং সন্ধ্যায় ঘৃতপ্রদীপ প্রজ্জ্বলনে সংসারের দারিদ্র্য দূর হয় ও ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়।

