শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল যে ইরান ও ইজরাইলের যুদ্ধের প্রভাবে ভুগতে হবে বিশ্বের বহু দেশকে। ঠিক তাই হলো। এবার এই যুদ্ধের প্রভাব পড়তে চলেছে আমজনতার রান্নাঘরে। ইরান ভারতের জন্য হরবুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে, চাপ বেড়েছে ভারতের। গত সাত দিন ধরে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীতে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারতীয় তেলের জাহাজ। ফলে জ্বালানি আমদানির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটছে।
{link}
তবে, পেট্রল ও ডিজেলের ক্ষেত্রে আপাতত স্বস্তির খবর রয়েছে। আমেরিকার তরফে রাশিয়া থেকে ৩০ দিনের জন্য তেল কেনার কথা জানানো হয়েছে। আমেরিকার চাপে এই মুহূর্তে কার্যত নাজেহাল অবস্থা ভারতের। ট্রাম্পের ছাড়পত্র পাওয়ার কারণে পেট্রল ও ডিজেলের সরবরাহে বড় সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত কম। তবে তা সত্ত্বেও ইরানকে ঘিরে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে সংঘাত বাড়তেই অপরিশোধিত তেল এবং রান্নার গ্যাস আমদানিতে চাপ তৈরি হয়েছে। এর জেরে দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের (LPG Cylinder) জোগান নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সরবরাহ ঠিক রাখতে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।
{link}
কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, একটি গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder) বুকিংয়ের পর দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুক করতে হলে অন্তত ২১ দিন অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ একটি সিলিন্ডার ব্যবহার করার পর পরবর্তী বুকিং করতে গ্রাহকদের এই সময়সীমা মেনে চলতেই হবে। ইন্ডিয়ান অয়েল এবং এলপিজি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র বিজন বিশ্বাস জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। তাঁর কথায়, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে শুধু অপরিশোধিত তেলই নয়, গ্যাস বোঝাই জাহাজও আটকে পড়েছে। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজন বিশ্বাস আরও জানান, বর্তমানে ইন্ডিয়ান অয়েলের কাছে প্রায় দশ দিনের গ্যাসের মজুত রয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় সতর্কতা হিসেবে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
{ads}