শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : টানা ন’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর শেষমেশ জানা যায় কলকাতার নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয়েছে বাংলাদেশের সাংসদ আনায়ার-উল-আজিমকে (BangladeshMPMurder)। বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামি লিগের এই সাংসদ চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন ১২ মে। দর্শনা সীমান্ত দিয়ে কলকাতায় এসেছিলেন ঝিনাইদহ-৪ এর এই সাংসদ। বুধবার তাঁরখুনের বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ। চিকিৎসা করাতে ভারতে এসে খুন হওয়া বাংলাদেশি সাংসদের মৃত্যু রহস্য উন্মোচন করতে তদন্ত করেছে সিআইডি।
{link}
তদন্তকারীদের দাবি, প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় ওই সাংসদকে। পরে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয় দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, ১২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গে আসার পরের দিনই বন্ধুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান আনোয়ার। সেদিনই নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয় তাঁকে। শ্বাসরোধ করে খুন করার পর মৃত্যু নিশ্চিত করে মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর দেহ টুকরো টুকরো করে ১৪, ১৫ ও ১৮ তারিখে দেহাংশগুলি লোপাট করে দেয় খুনিরা (BangladeshMPMurder)। দেহাংশ লোপাট করতে যে দু’জনকে কাজে লাগানো হয়েছিল, ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। তাই বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও উদ্ধার হয়নি সাংসদের দেহাংশ। তবে প্লাস্টিকের যে ব্যাগে করে দেহাংশগুলি লোপাট করা হয়েছিল, সেই ব্যাগটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিআইডির আইজি অখিলেশ চতুর্বেদী বলেন, “বুধবারই জানা গিয়েছে সাংসদকে খুন করা হয়েছে। রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য জোরকদমে চলছে তদন্ত।
{link}
শীঘ্রই বিষয়টি প্রকাশ করা হবে। নিউ টাউনের ওই ফ্ল্যাটটিতে দু’জন পুরুষ ও একমহিলাও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাংসদের সঙ্গে ফ্ল্যাটে আসা তিনজনের মধ্যে দু’জন পরে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন।বুধবারই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, “১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ার ভারতে গিয়েছিলেন। তার দু’দিন পর থেকে আর ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ওঁর উদ্বিগ্ন পরিবার আমাদের কাছে সাহায্য চান। তারপর থেকে আমাদের পুলিশ ভারতের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। এদিনই আমাদের কাছে খবর এসেছে খুন করা হয়েছে সাংসদকে।”বিদেশে এসে কেন খুন (BangladeshMPMurder) হতে হল আনোয়ারকে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রহস্যময়ী ওই নারীই বা কে? তাঁর সঙ্গে যে পুরুষটি বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন, তিনিই বা কে? সাংসদের দেহাংশগুলিই বা কোথায় গেল? আপাতত এই প্রশ্নগুলিরই উত্তর হাতড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা।
