কোভিড পরিস্থিতির জন্য ভারতবর্ষের অর্থনীতি তলানিতে ঠেকেছিল। জিডিপি গ্রোথ স্বাধীনতা পরবর্তি সময়কালে পৌঁছেছিল সর্বনিম্ন পর্যায়ে। একদিকে কৃষক আন্দোলন অন্যদিকে নিউ নর্মালের ছায়া অর্থনৈতিক অবস্থাকে এক সম্পূর্ন কাঠামো দিতে প্রায়সই বাঁধা সৃষ্টি করেছে। ভারতবর্ষ কৃষিপ্রধান দেশ এবং সেই দেশেই বিগত দুই মাস ধরে চলতে থাকা কৃষক আন্দোলন বারবার চিন্তায় ফেলেছে সুগঠিত অর্থনৈতিক ব্যাবস্থার পথকে। কেন্দ্রের ভাবনা দেরি করে হলেও ভারতবর্ষে অর্থনৈতিক উন্নতি হবে এবং তার প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে বেসরকারিকরন।
বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন, একদিকে দলবদলের হাওয়ায় উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিবেশ অন্যদিকে এই বাংলাতেই এক উন্নতির তালিকা প্রকাশে এগিয়ে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কি এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার? রাজ্যের শাসকদলের শক্তিশালী নেতারা আজ বিরোধীদের অস্ত্র। আসন্ন নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে উন্নত বাংলা তৈরি করার এক অভিনব সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। কিন্তু সাধারন মানুষ কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের উপর সম্পূর্নভাবে সহমত নন। প্রথমত কোভিড পরিস্থিতির কারনে বেকারত্বের জীবন কাটাচ্ছেন অনেকেই, বন্ধ হয়েছে কারুর ব্যাবসা, আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবের ক্রয়মূলে সাধারন মানুষের নাগালের বাইরে। রি অবস্থায় বেসরকারিকর-এর যে ভাবনা তাতে কি সাধারন মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি কি হবে?
নতুন গৃহের উপর যে ছাড় দেওয়া হচ্ছে তাতে মধ্যবিত্ত পরিবারের দৈনিক সামঞ্জস্যতায় খুব একটা প্রভাব পড়বে কি না, তাও দাঁড়িয়েছে প্রশ্নের মুখে। অন্যদিকে চা বাগানে যে বিপুল পরিমানে অর্থ লগ্নি করার ভাবনা চিন্তা এবং ডিজিটাইজেশন জন সমীক্ষার যে ভাবনা চিন্তা তা কতটা কার্যকরি হবে সেই নিয়েও সংশয় প্রকাশ করছে সাধারন মানুষ। রাস্তা তৈরি করলে হয়ত উন্নতি হতে পারে পরিবহন ব্যাবস্থার উন্নতি হতে পারে কিন্তু তাতে কি আদৌ কমবে বেকারত্ব?
.jpeg)
