কোভিড-১৯ অতিমারিটির প্রথম ঘটনা ভারতে ৩০ জানুয়ারী ২০২০ সালে হয়েছিল যেটি চীন থেকে শুরু হয়েছে। ভারতে অন্যদেশের তুলনায় কম হারে মানুষদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন যে সংক্রমণের সংখ্যাটি যথেষ্ট পরিমাণে অবমূল্যায়ন হতে পারে।
{link}
বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৭২৭ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩৭ লক্ষ ৩ হাজার ৬৬৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩১৭ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ১২০ জনের।
পরপর তিনদিন বড় আকারে কমার পর গতকাল এবং আজ সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। যার অর্থ, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ স্তিমিত হওয়ার যে ইঙ্গিত মিলেছিল, তা আবার উধাও।
{link}
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ১৮১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে কম। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস আরও খানিকটা বেড়ে দাঁড়াল ৩৭ লক্ষ ১০ হাজার ৫২৫ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৯৭ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮২৩ জন। করোনা রুখতে টিকাকরণে জোর দিচ্ছে ভারত। দেশে টিকাকরণের হারও ক্রমশ বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত মোট টিকা পেয়েছেন ১৭ কোটি ৭২ লক্ষ ১৪ হাজার ২৫৬ জন।
{link}
তবে এই মুহূর্তে একটা ছবি বাইরে স্পষ্ট, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে মানুষ অনেক বেশী ভয়ার্ত। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষের মনে উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে এই আশাতেই রয়েছে সবাই।
