শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : সপ্তম দফার লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন। তার আগেও বিজেপিকে পরাস্ত করতে কংগ্রেসের হাতিয়ার সেই সংরক্ষণ। ‘ইন্ডি’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেসকে এনিয়ে ফের নিশানা করল বিজেপি (BJP)। বুধবার “মেরা ভোট মেরা অধিকার, হোয়্যারইন ইট অ্যাটেম্পটড টু এক্সপোজ দ্য কংগ্রেস” শীর্ষক একটি ভিডিও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে বিজেপি। এই ভিডিওতেই পদ্ম-পার্টির তরফে দেখানো হয়েছে কীভাবে দলিত, এসসি-এসটি, পিছিয়ে পড়া শ্রেণি এবং অতি পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সংরক্ষণের কোটা খেয়ে ফেলে তালিকায় ঢোকানো হয়েছে সংখ্যালঘু (পড়ুন, মুসলমান) সম্প্রদায়কে।ভিডিওটি মাত্র আটচল্লিশ সেকেন্ডের। সেখানে বিজেপি (BJP) তুলে ধরেছে, কীভাবে কংগ্রেস ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। এসসি-এসটি-ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গণ-হিস্টিরিয়া ছড়াচ্ছে।
{link}
কংগ্রেস কীভাবে এসসি-এসটি-ওবিসিদের ওই তালিকা থেকে বের করে দিয়ে গিলে ফেলছে ওবিসিদের কোটা।ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেস কীভাবে ব্যাকওয়ার্ড শ্রেণির সংরক্ষণের বিরোধিতা করে আসছে, তা নিয়ে আলোচনা করছেন তরুণ প্রজন্মের কয়েকজন। তাঁরা বলছেন,কংগ্রেস কীভাবে বাবা সাহেব আম্বেডকরের কথা অমান্য করেছে। তারা কখনওই উপজাতিদের ন্যায়বিচার দেয়নি। কংগ্রেসই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া মিলিয়া এবং আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসসি-এসটি-ওবিসিদের সংরক্ষণ অনুমোদন করেনি। এই বিষয়েও আলোকপাত করেছেন ওই তরুণরা। বিজ্ঞাপনে থাকা তরুণদের এও বলতে শোনা গিয়েছে, কীভাবে ২০০৯ সালের নির্বাচনী ইস্তাহারে কংগ্রেস সরকারি চাকরি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ চালু করেছে কেরল, কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে।
{link}
এই ভিডিওতেই মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে কীভাবে কংগ্রেস ২০০৪ সালে ক্ষমতায় এসেছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের এসসি-এসটির কোটার বদলে তারা মুসলমানদের সংরক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যদিও সেবার তা করতে ব্যর্থ হয়েছিল তারা। তবে ২০১১ সালে গোটা দেশে এটা লাগু করার চেষ্টাও করেছিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখতে কংগ্রেস পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটার ভাগ থেকে কিছুটা অংশ মুসলমানদের দিতে চাইছে বলেও দাবি করা হয়েছে ভিডিওতে। শেষে নাগরিকদের বিচার-বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গেরুয়া পার্টি।এদিকে, বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে চাইছে বলেও অভিযোগ বিজেপির। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “সংবিধান স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ হবে না (BJP)।”
