শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: এক কথায় বলা যায়, অদূর ভবিষ্যতে আবার ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হতে পারে। বাজেটে প্রতিরক্ষা বরাদ্দ দেখে তেমন শুধু মনে হচ্ছে না, দেশের প্রধানমন্ত্রীর কথায় তেমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে ৭.৮৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদী সরকার। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৫% বেশি। সরকারের মতে, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধি কোনও নিয়মিত পদক্ষেপ নয়, বরং একটি বড় সামরিক আধুনিকীকরণ এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্যোগের অংশ। বাজেটের পরিসংখ্যান অনুসারে, শুধুমাত্র আধুনিকীকরণের জন্য ১ কোটি ৮৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ২৫% বেশি। ৩ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রায় ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই পরিমাণের ৭৫% দেশিয় প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এ বছর প্রতিরক্ষা খাতের বাজেট উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি কি 'অপারেশন সিঁদুর'-এর সাফল্য এবং এর থেকে পাওয়া শিক্ষার কারণেই?
{link}
সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর করা এই প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'আমাদের সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই স্পষ্ট ছিল, প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য আমরা যা কিছু করতে হবে করব। হ্যাঁ, এই বছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। এটি একটি বৃহত্তর পদ্ধতির অংশ যা আমাদের সরকারের নীতি এবং প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। এক পদ এক পেনশন চার দশক ধরে চলা একটি দাবি, যা পূরণ করাও সরকারের একটি কর্তব্য। এটি স্পষ্ট ভাবে প্রমাণ করে, সরকার কেবল প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে নয়, সামরিক প্রবীণদের যথাযথ সম্মান এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।' প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'অপারেশন সিঁদুরে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যে সাহস এবং নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন তা প্রশংসনীয়। এই অপারেশন কেবল আমাদের সামরিক ক্ষমতা প্রদর্শনই করেনি বরং গত দশকে আমরা যে নিরাপত্তার উন্নতি করে তারও প্রমাণ দিয়েছে।' তাই অচিরেই আবার ভারত পাক যুদ্ধ বাধলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
{ads}