শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : ফাঁস গয়্যা মলদ্বীপের মুইজ্জু প্রশাসন! ভারতের (India Maldives Relation) দেওয়া বিমান চালাতেই পারছেন না দ্বীপরাষ্ট্রের পাইলটরা। তাই বিমানগুলি নিয়ে কী করবে মুইজ্জু সরকার, তা ভেবে কূল পাচ্ছে না সে দেশের সরকার। তবে ভারতের দেওয়া তিন বিমান যে সে দেশের পাইলটরা চালাতেই পারছেন না, তা কবুল করে নিয়েছেন মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘাসান মৌমুন । প্রায় আড়াই মাস আগে মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর নির্দেশে দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে ভারতে ফিরে আসেন ৭৬ জন প্রতিরক্ষা ব্যক্তিত্ব। তার পরেই তিন-তিনটি বিমান নিয়ে কার্যত অথৈ জলে পড়েছে মুইজ্জু প্রশাসন।
{link}
শনিবার প্রেসিডেন্টের অফিসে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মৌমুন জানান, মলদ্বীপে যে ভারতীয় (India Maldives Relation) জওয়ানরা ছিলেন, মূলত তাঁরাই দু’টি হেলিকপ্টার ও একটি ডর্মিনিয়ার এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতেন। দ্বীপরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “মলদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সে এমন কোনও সেনা জওয়ান নেই, যাঁরা ভারতের দান করা এই এয়ারক্র্যাফ্টগুলি চালাতে পারেন। আগের সরকারের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক এঁদের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছিল।” তিনি বলেন, “যেহেতু এটা ট্রেনিং, তাই অনেকগুলি ধাপ পার হতে হয়। কিন্তু নানা কারণে আমাদের জওয়ানরা সেই শিক্ষা সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তাই এই মুহূর্তে আমাদের বাহিনীতে এমন কোনও জওয়ান নেই, যাঁরা ওই দুটি হেলিকপ্টার ও ডর্মিনিয়র এয়ারক্র্যাফ্টটি চালাতে পারেন।”
{link}
চিনপন্থী মুইজ্জু সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে ফাটল ধরে। মলদ্বীপে থাকা ভারতীয় সেনাদের তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় মুইজ্জু প্রশাসন। তার আগের সরকার ছিল ভারতপন্থী। তাদের অনুরোধেই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য সে দেশে পাঠানো হয়েছিল সেনা জওয়ানদের। মুইজ্জু প্রশাসন নির্দেশ দেওয়ার পরেই সেই সেনাদের প্রত্যাহার করে নেয় ভারত। তার পরেই বিমান নিয়ে বিপাকে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্র।অথচ মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের আগেই মুইজ্জু প্রশাসনের কয়েকজন প্রবীণ আধিকারিক সে দেশের পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে বলেছিলেন মলদ্বীপের জওয়ানরাই ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে পারেন। প্রবীণ আধিকারিকদের সেই দাবির বেলুন চুপসে গেল খোদ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর স্বীকারোক্তির পরেই (India Maldives Relation)।
