শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : ভয়াবহ ভূমিকম্পে (Earthquake ) মায়ানমার (Myanmar) যেন ধ্বংসপুরী। ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছিল থাইল্যান্ড, চিন, ভিয়েতনাম এবং ভারতেও। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৭। প্রথম ভূমিকম্পের পর ৬.৪ মাত্রার একটি আফটারশকও অনুভূত হয় মায়ানমারে। গতকাল একাধিকবার আফটারশক (Aftershock) আঘাত হেনেছে ভারতের প্রতিবেশী এই রাষ্ট্রে। সূত্রের খবর, শুক্রবারের ভূমিকম্পে মায়ানমার ও থাইল্যান্ডের বিস্তীর্ণ অংশে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৭০০ মানুষ।
{link}
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ৩ হাজার ৪০০ জন আহত হয়েছেন এবং ৩০০ জনেরও বেশি নিখোঁজ হয়েছেন। যত সময় যাচ্ছে ততই আহতের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। মার্কিন জিওলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য সূত্রে খবর, গতকালের ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মায়ানমারের মান্দালয়। মায়ানমারের সেনা–সরকারের প্রধান মিন আং হলাইং ইতিমধ্যেই সে দেশে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন।
{link}
দেশের এই দুর্দিনে সকল নাগরিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। মায়ানমারের ভূমিকম্পের রেশ গিয়ে পৌঁছায় পড়শি থাইল্যান্ডেও। ভূমিকম্পের সময়ে থাইল্যান্ডের একটি নির্মীয়মান বহুতলে আটকে পড়েন ১১৭ জন। প্রাণ যায় ৮ জনের। তীব্র ভূমিকম্পে ব্যাংককে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ একটি ৩০ তলা ভবন। গত শুক্রবারের ভূমিকম্পে (Earthquake) ধ্বংসপুরীতে পরিণত হয়েছে মায়ানমার। তীব্র কম্পনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বহুতল, হোটেল, সৌধ, প্রার্থনা গৃহ। মায়ানমারের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের রাস্তায় দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল।
{ads}