শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক: “কংগ্রেস এবং ডিএমকে একজোট হয়ে এই কাজ (কচ্ছতিভু দ্বীপ হস্তান্তর) করেছিল।” রবিবার কংগ্রেসকে নিশানার পর সোমবার ডিএমকে-কে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইন্দিরা জমানায় কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দেওয়া হয়েছিল শ্রীলঙ্কার হাতে। তার পর থেকে ওই অঞ্চলে মাছ ধরতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হন তামিল মৎস্যজীবীরা। সম্প্রতি ওই দ্বীপটি শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তার পরেই কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী।
{link}
এদিন আক্রমণ শানালেন ডিএমকে-কে। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “সব কিছু এক দিকে সরিয়ে রাখলাম। কিন্তু তামিলনাড়ুর স্বার্থেও ডিএমকে কোনও পদক্ষেপ করেনি। কচ্ছতিভু নিয়ে যে নয়া তথ্যগুলি উঠে আসছে, তাতে ডিএমকের দ্বিচারিতার মুখোশ খুলে পড়ছে। কংগ্রেস এবং ডিএমকে একজোট হয়ে এই কাজ করেছিল। তারা কেবলমাত্র নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করে। আর কারও জন্য ওদের কোনও চিন্তা নেই। কচ্ছতিভু নিয়ে তাদের নির্মম সিদ্ধান্ত আমাদের গরিব মৎস্যজীবীদের ওপর প্রভাব ফেলেছে।”
{link}
কচ্ছতিভু দ্বীপ হস্তান্তর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতো কংগ্রেস এবং ডিএমকে-কে তাক করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও। তিনি বলেন, “১৯৭৪ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কা একটি সমঝোতা করেছিল। একটি সামুদ্রিক সীমানা তৈরি করা হয়েছিল সেই সময়। আর ভারতের অংশ কচ্ছতিভু দ্বীপকে সীমানার ওপ্রান্তে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কচ্ছতিভু মামলা নিয়ে কোনও দায়িত্বই নিতে চায়নি। আমরা জানি এই কাণ্ড কে ঘটিয়েছিলেন। কেইবা বিষয়টি চেপে দিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “গত ২০ বছরে ৬ হাজার ১৮৪ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী শ্রীলঙ্কায় আটক হয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১ হাজার ১৭৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীর নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার উদ্যোগী হয়ে ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছে। গত পাঁচ বছর ধরে কচ্ছতিভু দ্বীপের বিষয়টি একাধিকবার আলোচনা হয়েছে সংসদে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “কচ্ছতিভু কংগ্রেসের কাছে নিছকই একটা ছোট্ট দ্বীপ। তারা এর গুরুত্বই বুঝতে পারেনি (PM Modi)।”
