শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : এই নির্বাচন আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে। মঙ্গলবার রাজস্থানের কোটপুটিলে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কংগ্রেসের পাশাপাশি বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডিকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মোদি বলে দেশ থেকে দুর্নীতি হটাবে। আর কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোট এই নির্বাচনে দেশের জন্য লড়াই করছে না। তারা লড়াই করছে নিজেদের আখের গুছোবার জন্য। তাদের বক্তব্য, দুর্নীতি বাঁচাও। আর মোদি বলছে, দুর্নীতি হটাও।
{link}
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম এমন একটা নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যেখানে কংগ্রেসে তাদের জয়ের জন্য মানুষকে ভোট দিতে বলছে না, বরং বলছে বিজেপি ফের ক্ষমতায় এলে দেশে আগুন জ্বলবে। প্রসঙ্গত, গণতন্ত্র বাঁচাও স্লোগান দিয়ে রবিবারই দিল্লির রামলীলা ময়দানে সভা করেছিলেন ইন্ডি জোটের নেতারা। সভায় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সেখানে রাহুল বলেছিলেন, এই ম্যাচ-ফিক্সড নির্বাচনে যদি বিজেপি জেতে, এবং সংবিধান বদলে দেয়, মনে রাখবেন, তাহলে দেশে আগুন জ্বলবে। রাহুলের সেই বক্তব্যের দিকেই যে প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বাক্য-বাণের অভিমুখ, তা বোঝা যায় অনায়াসে।
{link}
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি গোটা দেশকেই একটি পরিবার বলে মনে করে। আর কংগ্রেস দেশের চেয়ে বড় বলে মনে করে তার পরিবারকে। বিজেপি দেশের অহংকারের পতাকাকে উড্ডীন করেছে। আর কংগ্রেস বিদেশে গিয়ে দেশের সম্পর্কে কু-মন্তব্য করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোদি স্ফূর্তি করার জন্য জন্মগ্রহণ করেনি। আমি জন্মেছি কঠোর পরিশ্রম করতে। দেশে অনেক কিছুই হয়েছে। তবে গত দশ বছরে যা হয়েছে, তা ট্রেলর মাত্র। দেশে দারিদ্রের জন্য কংগ্রেসকেই দুষেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, স্বাধীনতার পরে গত ৬০ বছর ধরে দেশে দারিদ্র ছিল। এজন্য দায়ী কংগ্রেস। এর একমাত্র কারণ, কংগ্রেস জমানায় প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য ভারতকে নির্ভর করতে হত অন্য দেশের ওপর। কংগ্রেস কখনওই আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আত্মনির্ভর হওয়ার অনুমোদন দেয়নি। কংগ্রেস আমলে ভারতের পরিচয় ছিল সব চেয়ে বড় অস্ত্র আমদানিকারী দেশ। আর বিজেপি জমানায় ভারতের পরিচয় অস্ত্র রফতানিকারী দেশ হিসেবে।
