ত্রিপুরায় সাফল্যের স্বাদ না পেলেও মিশন নর্থ-ইস্ট-এ সফল তৃণমূল! মেঘালয়ে বিরোধী দলের মর্যাদা এখন তৃণমূল- দখলে। ত্রিপুরায় নির্বাচনে লড়েও জায়গা করতে পারেনি জোড়াফুল শিবির। তবে মেঘালয়ে জুটল পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা। সেই নিয়েই মেঘালয়ের রাজনৈতিক মহলে কোমর কষে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃতীয়বারের জন্য বাংলার কুর্সি নিশ্চিত হতেই গোটা দেশে সংগঠন বিস্তারে উদ্যোগী হয় তৃণমূল। প্রথমেই তারা পা রাখে ত্রিপুরায়। ত্রিপুরায় ছিল পুরসভা নির্বাচন। আগরতলা পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থীও দেয় তৃণমূল। যদিও সেখানে একটি আসনেও জয় পায়নি জোড়াফুল শিবির। তবে আমবাসায় জয় পান তৃণমূল প্রার্থী। যদিও পরে তিনি ভিড়ে যান বিজেপিতেই। এরপর গোয়া সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে সংগঠন গড়ে তোলার মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলার শাসক দল।
{link}
এদিকে, প্রায় পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো মেঘালয়ে জায়গা করে ফেলে তৃণমূল। গত ২৫ নভেম্বর তৃণমূলে যোগ দেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের মুকুল সাংমা সহ ১২ জন বিধায়ক। বাংলার মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার উপস্থিতিতে ঘাসফুল আঁকা ঝান্ডা হাতে তুলে নেন তাঁরা। এক ধাক্কায় ১২ জন বিধায়ক দলত্যাগ করায় দল ভাঙানোর অভিযোগ করেছিল কংগ্রেস। বিধানসভার স্পিকারের কাছে দলত্যাগী বিধায়কদের বিধায়ক পদ খারিজের আরজিও করেছিল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার দু পক্ষের বক্তব্য শোনেন স্পিকার। এর পরেই তিনি জানিয়ে দেন, দলত্যাগী বিধায়কদের বিধায়ক পদ খারিজের কোনও প্রয়োজন নেই। এর পরেই মেঘালয়ে বিরোধী দলের স্বীকৃতি পায় তৃণমূল।
{link}
একলপ্তে একঝাঁক বিধায়ক দল ছাড়ায় বিপাকে পড়েছে মেঘালয় কংগ্রেস। কেবল ওই বিধায়করাই নন, কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন যুব নেতা রিচার্ড মারাক সহ বেশ কয়েকজন যুব নেতা। যার ফলে কংগ্রেসের সংগঠনের ভীত রীতিমতো টলে গিয়েছে। রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঠে রীতিমতো শক্তোপোক্ত ভীত গড়ে তুলেছে তৃণমূল। এখন এই পাহাড়ি রাজ্যে সংগঠন বাঁচাতে কংগ্রেস কী করে, সেই দিকেই লক্ষ্য রাজনৈতিক মহলের।
