শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শেষমেশ আরএসএসকে মিছিল করার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে তামিলনাড়ু সরকার এ ব্যাপারে তাদের সম্মতি জানিয়েছে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতি মাসের ১৯ কিংবা ২৬ তারিখে ওই মিছিল করতে পারবে আরএসএস। শুনানির সময় রাজ্য সরকার হাইকোর্টের নির্দেশের ওপর স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করে। মাদ্রাজ হাইকোর্টই পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হোক আরএসএসকে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের সূর্য কান্ত ও দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ আরএসএসকে মিছিলের প্রস্তাবিত রুটের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে। রাজ্যকেও বলেছিল এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে।
{link}
প্রসঙ্গত, আজাদি কা অমৃত মহোৎসব ও গান্ধী জন্মজয়ন্তী পালনের জন্য অক্টোবর মাসে রুট মার্চ করার জন্য স্ট্যালিন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল আরএসএস। এই মিছিলকে ঘিরে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে, এই আশঙ্কায় সেই আবেদন খারিজ করে দেয় তামিলনাড়ু সরকার। স্ট্যালিন সরকারের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নভেম্বরে মাদ্রাজ হাইকোর্টে যায় আরএসএস। সংঘ পরিবারের এই আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। এই বেঞ্চের বিচারপতি সংঘের কর্মসূচি বন্ধ রাখার নির্দেশও দেন।সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় আরএসএস। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় খারিজ করে আরএসএসকে মিছিল করার অনুমতি দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে বাকস্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব তামিলনাড়ু সরকারের ওপর চাপিয়ে দেন বিচারপতিরা। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা খেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তামিলনাড়ু সরকার। দায়ের করে মামলা।
{link}
আরএসএসের মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত বলেও জানানো হয়েছিল আবেদনে। সেই মামলায়ও তামিলনাড়ু সরকারের আপত্তি খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টও। বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণিয়ন ও পঙ্কজ মিথালের ডিভিশন বেঞ্চও জানিয়েছিল রাজ্য সরকার যে তালিকা দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে আরএসএসের সদস্যরাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যাচারের শিকার হয়েছে। তারা কখনওই অপরাধী ছিল না। তাই আগের বিচারপতিরা যে রায় দিয়েছেন, তাতে কোনও ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই খারিজ করা হল এই আবেদন।
