শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখে বসছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন (Special Parliamentary Session)। পাঁচ দিনের এই অধিবেশন চলবে ২২ তারিখ পর্যন্ত। অধিবেশনের অ্যাজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি বলে দিন কয়েক আগে ইন্ডি জোটের (INDIA) তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। তার জবাবে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, ঠিক সময়েই জানানো হবে অ্যাজেন্ডা। শেষমেশ বুধবার কেন্দ্রের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে লোকসভা ও রাজ্যসভায় দু’টি করে গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হবে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল।
{link}
প্রসঙ্গত, ফি বার অধিবেশনের আগে বিরোধীদের অ্যাজেন্ডা বা আলোচ্যসূচি জানানোই সংসদীয় রীতি। কিছু দিন আগেই শেষ হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগেও প্রকাশ করা হয়েছিল অ্যাজেন্ডা। এদিন জানানো হল বিশেষ অধিবেশনের (Special Parliamentary Session) অ্যাজেন্ডা। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল ছাড়াও আরও যে তিনটি বিল পেশ করা হবে সেগুলি হল, অ্যাডভোকেটস (সংশোধনী) বিল, ২০২৩, দ্য প্রেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অফ পিরিওডিক্যালস বিল, ২০২৩ এবং পোস্ট অফিস বিল, ২০২৩। অধিবেশনের প্রথম দিন লোকসভায় ৭৫ বছরের সংসদীয় যাত্রার বিষয়ে আলোচনা হবে। সংবিধান সভা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সংসদের সাফল্য, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি ও শিক্ষা নিয়ে আলোচনা হবে।
সূত্রের খবর, অধিবেশনের আগের দিন সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। সেখানেও এই অ্যাজেন্ডা নিয়ে হবে আলোচনা। এই চারটি বিলের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিলটি রাজ্যসভায় পেশ করা হয়েছিল সংসদের বাদল অধিবেশনে। ১০ অগাস্ট পেশ হয়েছিল বিলটি। বাকি তিনটি বিল নিয়ে বিরোধীদের সমস্যা না থাকলেও, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিলটির বিরোধিতা করবেন (Special Parliamentary Session) তাঁরা। এই বিলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে যে প্যানেল তৈরি হয় তা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে। এতে কেন্দ্রের ক্ষমতা ও একছত্র আধিপত্যই প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশঙ্কা বিরোধীদের। সেই কারণেই এই বিলের বিরোধিতা করবেন বিরোধীরা।
