শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬ এর বাজেট বিভিন্ন দিক থেকেই খুব তাৎপর্যপূর্ণ। কমবেশি সকলেই এই বাজেটের দিকে তাকিয়ে আছে। ২০২৬-এর বিষয়টি আলাদা। কারণ এবার বাজেটের মাস খানেকের মধ্যে পাঁচ রাজ্যের ভোটের বিউগল বাজবে। ফলে এবার সংস্কারের পাশাপাশি নির্মলা সীতারমণের বাজেট (Budget 2026) জনমোহিনী হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। সমস্যাটা হল, পরিকাঠামো খাতে ব্যয় থেকে কর্মসংস্থান, আর্থিক বৃদ্ধির হার বজায় রাখা আবার রাজকোষে ভারসাম্য রক্ষা, নির্মলার কাছে চ্যালেঞ্জ অনেক। সেই সব চ্যালেঞ্জ আদৌ তিনি পূরণ করতে পারবেন কী? ২০২৬ সালের বাজেটে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের মাধ্যমে ভারতের উন্নয়নকে ঐতিহাসিক স্থানে উন্নীত করায় জোর দেওয়া হবে। এই বছর যে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির দিকে নজর দেওয়া হবে তার মধ্যে রয়েছে রেলওয়ে, অবকাঠামো, নগর উন্নয়ন, উৎপাদন, অটোমোবাইল, প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক্স, এমএসএমই, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং এআই। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইতিমধ্যে ভারত অনেকটা এগিয়েছে। এবার আরো নতুন প্রযুক্তি আসবে বলেই বিশ্বাস।
{link}
পরিবহণ-সহ বিভিন্ন শিল্পের মতে, উৎপাদন বাড়াতে ও কর্মসংস্থান তৈরির জন্য আর্থিক বৃদ্ধির গতি ধরে রাখায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয় পরিকাঠামো। বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে গেলে মোদি সরকারকে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে প্রায় দ্বিগুণ বরাদ্দ করতে হবে। মার্কিন শুল্ক চাপের মধ্যে রপ্তানি ক্ষেত্রকে সুরাহা ও ভারতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে নজর দিতে হবে অর্থমন্ত্রীকে। স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, কৃষি এবং সরবরাহের মতো অন্যান্য ক্ষেত্রগুলিতেও সরকারকে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। এবারের বাজেটে বাড়তি নজর দেওয়া হতে পারে রিয়েল এস্টেট শিল্পকে। আমজনতাকে বিনিয়োগ থেকে যাতে ভালো রিটার্ন দেওয়া যায়, সেজন্য সুদের হারে বড় বদল আশা করছে। এদিকে সামনেই বাংলা-কেরল-তামিলনাড়ু-পুদুচেরী-অসমে ভোট। ভোটমুখী এই পাঁচ রাজ্যে বড় পরিকাঠামো বিনিয়োগ করতে পারে সরকার। বিশেষ করে কেরল এবং বাংলায়। কারণ এই দুই রাজ্যকেই আগামী দিনে পাখির চোখ করছে মোদি সরকার।
{ads}