শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: স্বচ্ছ শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে দিল্লিতে শুরু হওয়া সিজেপির আন্দোলনের প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। এই দাবির সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা হবে না বলে জানিয়েছিলেন সিজেপির প্রতিনিধিরা। অবশেষে, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি। দিল্লিতে টানা অবস্থান-বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন, মন্ত্রীর ইস্তফা ছাড়া কোনও শর্তেই তাঁরা আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন না। এ বিষয়ে কোনও বোঝাপড়া করা যাবে না। দুর্নীতির দায় মন্ত্রীকে নিতে হবে। সরকারের সঙ্গে সিজেপি-র প্রতিনিধিদের দু’দফা বৈঠক হয়েছে। আন্দোলনকারীরা দাবিতে অনড় ছিলেন। শনিবার বিকেলে তৃতীয় দফার আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
ধর্মেন্দ্র জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নিয়ম অনুযায়ী তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান। রাষ্ট্রপতি ধর্মেন্দ্রের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য, শনিবার সকালেই সিজেপি জানিয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগে যদি রাজি না-থাকেন, তবে সরকারের সঙ্গে আলোচনার কোনও অর্থ নেই। অর্থাৎ, এরপর সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের। তারপর জানা যাবে, সিজেপি আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না।
সিজেপি-র তরফে মোট তিনটি দাবি সরকারের কাছে রাখা হয়েছিল। তার মধ্যে প্রথম দাবিই ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা। এ ছাড়া, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসে আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দাবিটি সরকার মেনে নিলেও এক নম্বর দাবি শুক্রবার পর্যন্ত মানা হয়নি। কেন্দ্রের তরফে জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহ জানিয়েছিলেন, শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের তাঁরা ‘ককরোচ’দের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। তার দেড় ঘণ্টা আগেই তাঁদের প্রথম দাবি মান্যতা পেল।
.jpeg)
