সিজেপির আন্দোলন ও দেশজোড়া ছাত্র বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এবার তাঁর পরিবর্তে নতুন শিক্ষামন্ত্রীর নাম ঘোষণা করল কেন্দ্র। একাধিক প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতির অভিযোগের পর এই পদের গুরুদায়িত্ব কার হাতে তুলে দিতে চলেছে মোদি সরকার? পড়ে নিন-
একটি সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ধর্মেন্দ্রের ইস্তফার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব প্রহ্লাদ জোশীর হাতে দিল মোদী সরকার। তিনিই হতে চলেছেন মোদি সরকারের পরবর্তী শিক্ষামন্ত্রী। প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে নরেন্দ্র মোদী সরকার যে কড়া অবস্থান নিতে চলেছে, তা শুক্রবারই স্পষ্ট হয়েছিল। মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত খসড়া বিলের অনুমোদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিল, আগামী সোমবার সংসদে পেশ করা হবে এই বিল।
সোমবার লোকসভায় ‘পাবলিক এগ্জ়ামিনেশন অ্যামেন্ডমেন্ট ২০২৬’ বিল পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ। সংশোধনী এই বিলটি পেশ করার পর সংসদে আলোচনার জন্য সদস্যদের আহ্বান করবেন মন্ত্রী। বেশ কিছুদিন টানা অস্থির অবস্থায় থাকার পর এই বিলটি নিয়ে সংসদে জোর বিতর্কের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এই বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্তদের আরও কড়া শাস্তি দেওয়া যাবে। নিশ্চিত করা যাবে ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে এই সংক্রান্ত ঘটনার দ্রুত বিচারও। সূত্রের খবর, বিল আইনে পরিণত হলে প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দোষীদের ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। সঙ্গে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার মুখে পড়তে পারেন দোষীরা।
তবে, এককথায় শনিবার দেশে গনতান্ত্রিক লড়াইয়ে বড় জয় পেল ককরোচ জনতা পার্টি। নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলনের প্রধান দাবিই ছিল ধর্মেন্দ্রের ইস্তফা। প্রথমে দিল্লিতে আন্দোলন শুরু হলেও, গোটা দেশে সেই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কেন্দ্রের সঙ্গে দু’দফা বৈঠকেও একই দাবি জানিয়েছিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)।
অবশেষে, শনিবার তৃতীয় দফার বৈঠকের আগেই আচমকা ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র। তার পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে বসেন সিজেপি-র দুই প্রতিনিধি সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। বৈঠক শেষে সিজেপি জানায়, সরকার তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। তাই যন্তর মন্তর থেকে ধর্না তুলে নিচ্ছেন তাঁরা।
