দেশের যে কটি রাজ্যের দিকে সমস্ত কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক দলগুলির বিশেষভাবে নজর থাকে তার মধ্যে একটি অবশ্যই উত্তরপ্রদেশ। নতুন বছরের গোড়ায়ই রয়েছে সেই উত্তর প্রদেশ বিধানসভার ভোট। দেশের সব চেয়ে বড় রাজ্যের রশি নিজেদের হাতে নিতে মরিয়া কংগ্রেস, বিজেপি, সপা, বসপা সহ সব দলই। সেই যোগী রাজ্যে দলীয় সংগঠন পোক্ত করতে কর্মীদের ক্লাস নিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পার্টি ক্লাসে অংশ নিয়েছেন দলের বাছাই করা ৭০০ নেতা-কর্মী। ভোটের আগে এহেন বৈঠক যে অনেকটাই তাৎপর্য বহন করছে সেই কথা বলাই বাহুল্য।
{link}
নতুন বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভোট হওয়ার কথা উত্তর প্রদেশে। রাজ্যের বিধানসভার আসন সংখ্যা ৪০৪। বিজেপি শাসিত ওই রাজ্যের রাশ কেড়ে নিতে মরিয়া বিজেপি বিরোধীরা। রামরাজ্যের রশি নিজেদের হাতে রাখতে কোমর কষে নেমে পড়ছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও। দেশের বৃহত্তম রাজ্যের রাশ যাতে হাতছাড়া না হয়, সেজন্য ১২ তারিখে পার্টি ক্লাস নিলেন শাহ। ওই ক্লাসে সংগঠনের খুঁটিনাটি শেখানো হয়। জনসংযোগ এবং নীতি সব কিছু নিয়েই হয় আলোচনা। ওই পার্টি ক্লাসে ৯৮টি জেলা সভাপতি এবং ৪০৩টি বিধানসভা আসনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা এবং ছ জন বিভাগীয় প্রধান। উপস্থিত ছিলেন যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্য সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিং এবং রাজ্যের দুই উপ মুখ্যমন্ত্রীরও। নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা ধর্মেন্দ্র প্রধানও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ভোটের আগে কীভাবে সদস্য সংগ্রহ করা উচিত, সদস্য সংগ্রহের সময় কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত, কীভাবে ভোট করানো হবে এসব নিয়েও হয়েছে আলোচনা।
{link}
একুশের বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গবিজয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ছোট বড় মিলিয়ে বাংলায় তিনি ১২১টি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন। গেরুয়া শিবিরের দাবি, তার জেরেই এ রাজ্যে বিজেপির আসন ৭৭। জোড়াফুল-ভূমে তিনিই চাষ করেছেন পদ্মের। কিন্তু যে দুশো পার করার লক্ষ্যে তারা নেমেছিলেন তা হয়ে ওঠেনি। যাতে কিছুটা হলেও ক্ষয় পেয়েছে ভাবমূর্তির। সেই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করাও একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ। উত্তর প্রদেশের পদ্ম-বাগানে ফের পদ্ম ফোটে কিনা, এখন সেটাই দেখার।
