২০২১ বঙ্গনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পাওয়ার পর তৃণমূলের টার্গেট ২০২৩এর ত্রিপুরা বিধানসভা। সেখানে তাই তড়িঘড়ি গর সাজাতে ব্যাস্ত তৃণমূল নেতৃত্য। আবার অনেকের মতে ত্রিপুরায় জিতছে তৃণমূল। ক্ষমতাসীন বিজেপি কিংবা বামেদের যোজন দূরে ফেলে এগিয়ে তৃণমূল। অন্তত এমনটাই সমীক্ষার ফল বলে জানাচ্ছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদ্যোৎবিক্রম মাণিক্য দেববর্মার। যদি এই সমীক্ষার ফল মিলে যায়, তাহলে বাংলার পরে ফের একটি রাজ্যের কুর্সিতে আসবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।
{link}
বঙ্গনির্বাচনে তৃতীয়বার নবান্ন দখলের পর এবার তৃণমূল নেতৃত্বের পাখির চোখ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির দিকে। এর মধ্যে সবার ওপরে রয়েছে বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরা। ২০২৩ সালে সেখানে বিধানসভা নির্বাচন। ওই নির্বাচনে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে ক্ষমতাচ্যুত করাই আপাতত লক্ষ্য তৃণমূল নেতৃত্বের।সেই লক্ষ্য পূরণেই বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরার সার্বিক পরিস্থিতি খুঁটিয়ে দেখতে প্রথমে ইলেকশন স্পেশালিস্ট পিকে-র সংস্থা আইপ্যাক গিয়ে সমীক্ষা করা হায়।
{link}
তারপর ত্রিপুরায় গিয়ে সেখানকার রাজা তথা প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদ্যোৎবিক্রম মাণিক্য দেববর্মার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। তার পরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল ‘রাজা’ কি তবে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন? নাকি তাঁর দল তৃণমূলের সাথে মিশে যাবে? নাকি তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে ভোটে লড়বে তাঁর দল? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।
{link}
তবে রাজার করা একটি সমীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ত্রিপুরার ৫৫ শতাংশ মানুষ বলছে ২০২৩ এর বিধানসভা নির্বাচনে জিতবে তৃণমূল। বিজেপির জেতার আশা দেখছেন ৩৫.৪ শতাংশ মানুষ। আর ৯.৬ শতাংশ মানুষের দাবি, ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসবে সিপিএম। ২০ হাজার ১১৬ জন মানুষের দেওয়া এই রায় মিলবে কিনা, তা বলবে সময়। তবে বিপ্লব দেবের রাজ্যে তৃণমূল যে ক্রমেই একটি ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে, তা চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজেপির।
{link}
কিছুদিন ধরেই তৃণমূলের বহু নেতা-মন্ত্রিদের ত্রিপুরা সফর করতে দেখা যাচ্ছে। সেখানে অনেকে আক্রান্তও হয়েছেন অনেকে।সেখানে তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তারপর থেকে ত্রিপুরায় কার্যত ঘাঁটি গেড়ে বসে রয়েছেন তৃণমূল নেতারা। পরে ত্রিপুরা যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদ্যোৎবিক্রম মাণিক্যর এই সমীক্ষা কতটা মেলে তা ২০২৩ এর নির্বাচনেই বোঝা যাবে।
