সামনে রয়েছে বেশ কয়েকটি কঠিন পরীক্ষা, যে পরীক্ষার উপর অনেকটাই নির্ভর করছে দলের ভবিষ্যৎ। সেই কারনেই এবার পরিকল্পনা করেই ময়দানে নামতে চলেছে বিজেপি। বিজেপির জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দিতে পারেন ভোট-যুদ্ধ জয়ের দাওয়াই! বিজেপির একটি সূত্রের খবর অন্তত তেমনই। নতুন বছরেই দেশের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর প্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যও। এই পাঁচ রাজ্যের রশিই যাতে বিজেপির হাতে ওঠে, এদিনের কর্ম সমিতির বৈঠকে সেই দাওয়াই দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
{link}
আজ, রবিবার দিল্লির এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টারে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে বিজেপির জাতীয় কর্ম সমতির বৈঠক। এ রাজ্য থেকে দিলীপ ঘোষ, অনুপম হাজরা বৈঠকে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সহ গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত রয়েছেন। বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ৩০০ বিজেপি নেতা। এঁদের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত রয়েছেন ১২৪ জন। বাকিরা ভার্চুয়ালি।
নতুন বছরেই অনুষ্ঠিত হবে উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব সহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বের শ্যেনদৃষ্টি উত্তর প্রদেশের দিকে। কারণ এ রাজ্যে বিধানসভার আসন সংখ্যা ৪০৪টি। এ রাজ্যের রশি যে দলের করায়ত্ত হবে, সেই দলই দিল্লিতে রাজ করতে বলে একটা আগাম আঁচ পাওয়া যায়। ২০২৪শে লোকসভা নির্বাচন। তাই এই পাঁচ রাজ্যেই ক্ষমতায় আসা জরুরি বলে মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণেই এদিনের বৈঠক। যে বৈঠকে ছকা হবে ওই পাঁচ রাজ্যে জেতার ব্লু-প্রিন্ট। দিন কয়েক আগে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনে বিজেপির ফল নিয়েও আলোচনা হতে পারে ওই বৈঠকে।
{link}
উল্লেখযোগ্যভাবে বড়ো বিধানসভা নির্বাচনগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বহু গর্জন করলেও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি বিজেপি। বলা ভালো সেই লক্ষ্যমাত্রার ধারে কাছেও পৌঁছতে ব্যার্থ হয়েছে বিজেপি। যার কারনে কেন্দ্রে মুখ পুড়েছে বিজেপির। সামনে লড়াই সেই হারানো সন্মান পুনরায় ফিরে পাওয়ার।
