২১শের বঙ্গবিজয়ের পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এবার তাঁদের লক্ষ্য দেশের বিভিন্ন রাজ্য। এমনিতেও ত্রিপুরাতে তৃণমূলের পতাকা ত্রিপুরাতে উড়ে ছিল অনেক আগেই। তৃনমুল শক্তি বাড়ানোয় এবার ভাঙন অব্যাহত বিজেপিতে এমনটাই মানছেন রাজনৈতিক মহল। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে কালচিনিতে কার্যত ধস নেমেছে গেরুয়া শিবিরে। শুক্রবার সন্ধ্যায়ও হাজার দেড়েক বিজেপি কর্মী-সমর্থক নাম লেখালেন তৃণমূলের খাতায়। ঘটনার জেরে উৎফুল্ল রাজ্যের শাসক শিবির।
{link}
একুশের বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। ওই ভোটে আশানরুপ ফল পায়নি বিজেপি। ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হলেও, মাত্র ৭৭টি আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় পদ্ম নেতাদের। প্রত্যাশিতভাবেই হতাশ হয়ে পড়েন দলবদলুরা। এর পরেই তাঁরা তদ্বির করতে থাকেন তৃণমূলে ফিরবেন বলে। এই তালিকায় দলের নিচুতলার কর্মীরা যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন ওপর মহলের নেতারাও। উঁচুতলার নেতাদের এখনই দলে নিচ্ছেন না তৃণমূল নেতৃত্ব।
{link}
যার সব চেয়ে বড় প্রমাণ কালচিনি। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। তবে ভোটের ফল বেরনোর পর থেকে এলাকায় বিজেপির সংগঠন প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায়ও হাজার দেড়েক লোক বিজেপি ছেড়ে নাম লিখেয়েছেন তৃণমূলের খাতায়। কালচিনি ব্লক তৃণমূলের সভাপতি পাসাং লামা বলেন, এর থেকেও অনেক বড় চমক আগামী কিছু দিনের মধ্যেই কালচিনি ব্লকে দেখা যাবে। যা রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দেবে। এর পরেই উঠছে বড় প্রশ্ন, তাহলে কি স্থানীয় বিধায়ক বিজেপির বিশাল লামাই তৃণমূলে যোগ দেবেন? এ ব্যাপারে অবশ্য খোলসা করেননি পাসাং। এই নিয়ে মুখ খলেনি বিশালের ঘনিষ্ঠরাও।
