গোয়ায় ক্রমশই নিজেদের শক্তিবৃদ্ধি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই এবার নিজেদের পরিকল্পনাও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবতীর্ন হল বিজেপ। এবার সংখ্যালঘু ভোট পেতে কোমর কষে নামছে গোয়ার বিজেপি শিবির। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই সংখ্যালঘু ভোট টানতে মাঠে নেমে পড়েছেন গোয়া বিজেপি নেতৃত্ব।
আরব সাগরের তীরের ছোট্ট রাজ্য গোয়া দখলে মরিয়া তৃণমূল। একুশের বাংলা বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল। এর পর দিল্লি বিজয়ের লক্ষ্যে তারা দলে টানে গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরোকে। সাতবারের কংগ্রেস বিধায়ক লুইজিনহো। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন দুবার। তাঁকে দলে টেনে পায়ের তলার মাটি শক্ত করেছে তৃণমূল। সে কথা মাথায় রেখেই গোয়ায় সংখ্যালঘু টানতে মরিয়া বিজেপি।
{link}
গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে প্রত্যেক বুথে ৫০০ সংখ্যালঘু ভোটের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সংখ্যালঘু ইনচার্জ সৈয়দ জিলানি। তিনি বলেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছতে চাই। বুথস্তরে সংখ্যালঘু সংগঠন মজবুত করা প্রয়োজন। সংখ্যালঘু মোর্চার সকল জেলা সভাপতিকে আমরা ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি। প্রত্যেক বুথে আমরা ৫০০ সংখ্যালঘু ভোটের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। আমাদের টিম লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সবরকম চেষ্টা করবে বলেই আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাঁর দাবি, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি-ই সরকার গঠন করবে।
{link}
মুসলমান নন, গোয়ায় সংখ্যালঘু বলতে মূলত খ্রিস্টান ভোটারদেরই বোঝায়। এখানকার মোট ভোটারের ২৬ শতাংশই সংখ্যালঘু। ৪০ আসনের গোয়া বিধানসভার ১৩টি কেন্দ্রে নির্ণায়ক শক্তি এই সংখ্যালঘুরাই। তাঁদের ভোট পেতে গোটা রাজ্যকে দুটি সাংগঠনিক জেলা ও ৪০টি মণ্ডলে ভাগ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। গোয়ায় মোট ভোট কেন্দ্র ১ হাজার ৬৬৩টি। সেগুলিকে ৪৯৬টি শক্তি কেন্দ্রেও ভাগ করেছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে তৃণমূলও এই ভোট নিজেদের দিকে টানতে কিছু না কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই নেবেন, তাদের তরফ থেকে ঠিক কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাও দেখার অপেক্ষায় গোয়ার মানুষজন।
