ফের একবার গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে কংগ্রেস-তৃণমূল? সেহেন সম্ভাবনাই দেখা দিয়েছে গোয়ায়। কারন গোয়ায় বিজেপিকে পরাস্ত করতে মরিয়া কংগ্রেস। বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে প্রাণপাত করছে তৃণমূল কংগ্রেসও। তবে এবার আর আলাদা আলাদা নয়, গোয়া দখলে জোট বাঁধছে কংগ্রেস এবং তৃণমূল। সম্প্রতি এমনই জল্পনাই দানা বেঁধেছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও এ ব্যাপারে রা কাড়েনি কংগ্রেস কিংবা তৃণমূল কোনও দলই।
ফেব্রুয়ারি মাসেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে শাসক দল বিজেপির হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিতে প্রাণপাত করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। গোয়ায় বিজেপি এবং কংগ্রেসের মতো বড় দলগুলি তো রয়েইছে, লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে আপ এবং তৃণমূলের মতো তুলনায় ছোট দলগুলিও।
{link}
একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছিল, ৪০ আসন বিশিষ্ট গোয়ায় তৃণমূল প্রার্থী দেবে ৩০টি আসনে। আর বাকি দশটি তারা ছেড়ে দেব মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টিকে। এই ভাগাভাগির কারণ ছিল, গোয়ায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট হচ্ছে না বলেই ধরে নিয়েছিলেন দলের ভোট ম্যানেজারেরা। তবে সম্প্রতি গোয়ায় কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক পি চিদাম্বরম বলেছিলেন, গোয়ায় কংগ্রেসই প্রধান বিরোধী দল। কংগ্রেস একার ক্ষমতায় বিজেপিকে এই রাজ্যে হারাতে সমর্থ। তবে কোনও দল যদি বিজেপিকে হারাতে আমাদের সমর্থন করতে চায়, তাহলে আমরা না বলার কে? তিনি বলেন, জোট নিয়ে তৃণমূলের বার্তা সংবাদপত্রে পড়েছি। কোনও প্রস্তাব আমাদের কাছে সরকারিভাবে আসেনি। তা আসে কিনা, আমরা আগে দেখি। তার পর বিবেচনা করা হবে। চিদাম্বরম বলেন, গোয়ার রাজনীতিতে এখনও পর্যন্ত কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হয়েছে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির। এর পরেও যদি কোনও দল বিজেপিকে হারাতে আমাদের সঙ্গে জোট করতে চায়, আমাদের সমর্থন করতে চায়, আমরা তাদের স্বাগত জানাচ্ছি।
{link}
অর্থাৎ যেভাবেই হোক গোয়ায় রাজনৈতিক লড়াইয়ে শাসক শিবির বিজেপির সূর্য অস্তমিত করতে সচেষ্ট সমস্ত রাজনৈতিক দলই। শাসক শিবিরের আসনে এখন বর্তমানে বিজেপিই রয়েছে গোয়ায়। সামনেই এগিয়ে আসছে বিধানসভা নির্বাচন, সেখানেই নির্ধারিত হবে, কে ক্ষমতায় থাকবে আর কেইবা পরাজিত!
