কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দিনকাল একদমই ভালো যাচ্ছে না কংগ্রেসের। একসময় বঙ্গের তাদের সঙ্গী তৃণমূলই একের পর এক আঘাত হানায় বিভিন্ন রাজ্যে দুর্বল হয়ে পড়ছে সংগঠন। পাহাড়ের পাকদণ্ডীতে ফের মুখ থুবড়ে পড়ল কংগ্রেস, পিছনে… সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। এবার উত্তর গারো উপজাতীয় পরিষদের ১১ জন কংগ্রেস সদস্য যোগ দিলেন তৃণমূলে। আগেই কংগ্রেসের টিকিটে জেতা মেঘালয় বিধানসভার ১২ জন বিধায়ক যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। স্বাভাবিকভাবেই পাহাড়ি এই রাজ্যে বেশ খানিকটা শক্তি সঞ্চয় করে নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ছিনিয়ে নিল প্রধান বিরোধী দলের তকমাও। যে খবর একদমই সুখকর নয় জাতীয় কংগ্রেস শিবিরের জন্য।
{link}
উত্তর গারো পার্বত্য পরিষদে এনপিপির সদস্য রয়েছে ১৭ জন। বিজেপির প্রতিনিধির সংখ্যা ২। উত্তর পূর্বের এই রাজ্যটি খাসি, জয়ন্তিয়া এবং গারো উপজাতিদের জন্য তিনটি স্বায়ত্ত্বশাসিত পরিষদে বিভক্ত। ৩০ সদস্যের গারো পার্বত্য উপজাতি পরিষদে কংগ্রেসের কোনও প্রতিনিধি রইল না। ঘটনায় দৃশ্যতই খুশি তৃণমূল। দলের তরফে এক বার্তায় জানানো হয়েছে, আমাদের জন্য এটি খুব বিশেষ দিন। যেহেতু ১১ জন কংগ্রেস পরিষদীয় সদস্য আমাদের পরিবারের সঙ্গে যোগদান করেছেন। আমরা প্রত্যেককে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।
{link}
কিছুদিন আগেই মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের মুকুল সাংমা যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। তাঁর সঙ্গে আরও ১১জন বিধায়কও নাম লিখিয়েছেন জোড়াফুলের খাতায়। সেই কারণেই মেঘালয় বিধানসভায়ও বিরোধী দলের তকমা হারায় কংগ্রেস। উত্তর গারো পার্বত্য পরিষদের ১১ জন কংগ্রেস প্রতিনিধিকে স্বাগত জানান মুকুল। তিনি বলেন, ওঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে আসায় আরও শক্তিশালী হল দল। মুকুল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা আমাদের রাজ্যকে আরও উচ্চতায় তুলে ধরব। এই ব্রত নিয়েই আমরা এবার সংগ্রামে নেমেছি। তিনি বলেন, তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে হবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে আমরাই সরকার গড়ব। অর্থাৎ রাজ্যের বাইরেও দেশের বিভিন্ন আরও সমস্ত রাজ্যে নিজেদের সংগঠনের শাখাপ্রশাখা দ্রুততার সাথেই ছড়াচ্ছে ঘাসফুল শিবির।
