সাকসেসফুল হয়েছে মিশন তৃপুরা অনেক আগেই।নরবরে হয়েছে ত্রিপুরার মুক্ষ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের ঘর। ত্রিপুরার পর তৃণমূলের টার্গেট গোয়া। সেটাও প্রায় সফল বলেই ধরা যাচ্ছে। কিছু সপ্তাহ আগেই গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরো কংগ্রেস ছেড়ে যোগদান করেন তৃণমূলে। তারপরেই একে-একে তৃণমূলের দিকে হাঁটতে শুরু করছেন। ফের কংগ্রেস ভাঙল তৃণমূল। গোয়ায় কংগ্রেসের নয় পদাধিকারী অনুগামীদের নিয়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে। তাঁদের সঙ্গে আরও প্রায় দুশোজন কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে যোগ দিলেন গোয়া তৃণমূলে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের একবার শক্তি সঞ্চয় করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।
{link}
তৃতীয়বারের জন্য বাংলার কুর্সিতে বসে গোটা দেশে সংগঠন বিস্তারের সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর পূর্বের ছোটো ছোটো রাজ্যগুলির পাশাপাশি আরব সাগরের তীরের এই ছোটো রাজ্যটির প্রতিও শ্যেনদৃষ্টি হানে তৃণমূল। তার ফলও ফলেছে। উত্তর পূর্বের ত্রিপুরার পাশাপাশি ইতিমধ্যেই গোয়ায়ও মজবুত সংগঠন গড়ে তুলে ফেলেছে তৃণমূল। মাস খানেক আগেই গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস বিধায়ক লুইজিনহো ফালেইরো তৃণমূলে যোগ দেন। তখনই তিনি বলেছিলেন, কংগ্রেস পরিবারকে একত্রিত করতে এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সব চেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলতে তিনি যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে।এদিন ভালভোই ব্লক কংগ্রেস কমিটির প্রায় দুশো কর্মীকে নিয়ে ব্লক সভাপতি দশরথ মান্দ্রেকর এবং আরও আটজন পদাধিকারী যোগ দেন তৃণমূলে। এঁদের মধ্যে ছিলেন রাজ্য মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়া রাঠোরও।
{link}
গোয়া কংগ্রেসের এক পদস্থ কর্তার কথায়, দল মাথা থেকে নিচুতলা পর্যন্ত নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে। সেই সুযোগই নিচ্ছে তৃণমূল। সুসংগঠিত দলটিকে নাগালে পেয়ে নিরাপদ মনে করে দলে দলে কংগ্রেস কর্মীরা ভিড়ছেন গোয়া তৃণমূলে। গোয়া বিধানসভার ভোট যত ঘনিয়ে আসবে এই প্রবণতা ততই বাড়বে বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।
এরমধ্যেই অন্য রকম অভিযোগ গোয়া কংগ্রেসের তৃণমূল কংগ্রেস এবং পিকের সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধ্যে। তাদের দাবী কংগ্রেস ভাঙছে ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকের সংস্থা আইপ্যাক। তাদের মধ্যে অনেকে ছলে বলে কৌশলে কংগ্রেস নিধনই এখন একমাত্র লক্ষ্য হয়ে উঠেছে আইপ্যাকের। তৃণমূলকে কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠা করতেই এই ছক কষেছে আইপ্যাক। এইবার গোয়ায় তৃনমূলের পতাকা কি উড়বে তা সময়ই বলবে।
.jpeg)
