ত্রিপুরা, গোয়ার পর এবার বিহারে পা রাখার জোগাড় করে ফেললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! ভাঙন ধরালেন নীতীশেরর ঘরেও। মঙ্গলবার দিল্লিতে মমতার উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দিলেন জনতা দল ইউনাইটেডের প্রাক্তন সাংসদ পবন বর্মা। রাজ্যসভার এই প্রাক্তন সাংসদের হাত ধরেই বিহারে খাতা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের। অর্থাৎ কোমর কষেই কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে লড়াইয়ে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
মাস তিনেক আগে একবার দিল্লি গিয়ে বিরোধী ঐক্যে শান দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ফের গিয়েছেন দিল্লি। এ যাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা তাঁর। এর পাশাপাশি বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা শোনা যাচ্ছে।
{link}
এর আগের বার দিল্লি গিয়ে প্রায় ১০টি দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মমতা। সেবার আলাদা করে বৈঠক করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরা সঙ্গে। বৈঠক থেকেই ফোনে কথা বলেছিলেন কংগ্রেস হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধির সঙ্গেও। ওই আলোচনায় জোট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে তা আর দিনের আলো দেখেনি। এর প্রধান কারণ, তৃণমূলের তরফে রটিয়ে দেওয়া হয় মমতাই বিজেপি বিরোধী শক্তির মুখ। প্রত্যাশিতভাবেই মমতার সঙ্গে দূরত্ব রচনা করে কংগ্রেস।
তার পর এই দফায় ফের দিল্লি যাত্রা মমতার। এবং ভাঙন ধরানো নীতীশের ঘরে। এদিন মমতার উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দিলেন জেডিইউয়ের প্রাক্তন সাংসদ পবন বর্মা। এক সময় জেডিইউয়ের রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন পবন। তাঁর হাত ধরেই বিহারে খাতা খুলতে চাইছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলে যোগ দিতে পেরে যারপরনাই খুশি পবন। তিনি বলেন, ২০২৪শে দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই সরকার গঠন হবে। ক্রমশ কেন্দ্রীয় স্তরে শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে তৃণমূল, একুশে বঙ্গ জয়ের পর এবার চব্বিশে দিল্লি জয়ের স্বপ্নও সফল হবে কি?
