ফের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে বড়োসড়ো দলবদলের সম্ভাবনা। তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা গোলাম নবী আজাদ! জল্পনা সত্যি হলে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে বড়োসড়ো দাঁও মারতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। সম্প্রতি এই চর্চাই ঘুরপাক খাচ্ছে কংগ্রেসের অন্দরে। কারণ বুধবার পুঞ্চের এক সভায় তিনি প্রকাশ্যেই জানান, ’২৪এর লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৩০০ আসন পাবে কিনা সন্দেহ! আজাদের মতো বর্ষীয়ান নেতার এই কথায় হইচই গোটা দেশে। জন্ম হয়েছে নয়া জল্পনারও। তাহলে কি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন আজাদ? উঠছে প্রশ্ন।
জীবনের একটা বড় সময় কংগ্রেসের সঙ্গে কাটিয়েছেন আজাদ। লোকসভা এবং রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন দীর্ঘদিন। কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়ে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছিলেন। এহেন আজাদ বুধবার পুঞ্চে এক দলীয় সভায় বলেন, ’২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৩০০টি আসন পাবে না।
{link}
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি ঘুরে আসার পরে কংগ্রেসে বিক্ষুব্ধের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। আজাদের ওই মন্তব্যের পর এই প্রশ্নই জোরালো হচ্ছে, তৃণমূলে যোগ দেবেন আজাদ? নেতৃত্ব সংকটে ভুগছে কংগ্রেস। উনিশের লোকসভা ভোটে দলের বিপর্যয়ের পর সমস্যা আরও বেড়েছে। একের পর এক রাজ্যে মুখ থুবড়ে পড়েছে দল। পঞ্জাবে নভজ্যোত সিং সিধুকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে ক্যাপ্টেনকে খুইয়েছে কংগ্রেস। তিনি আলাদা দল গড়ছেন বলে খবর। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মাধবরাও সিন্ধিয়ার ছেলে জ্যোতিরাদিত্য কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। এর পরেই শচীন পাইলটকে দলে ধরে রাখতে মরিয়া কংগ্রেস নেতৃত্ব তাঁর অনুগামীদের গুরুত্ব দিতে শুরু করে। তাঁদের ঠাঁই দিতে বাধ্য হয় মন্ত্রিসভায়।
কিছুদিন আগেই আজাদের প্রশস্তি গেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তবে বিজেপি নয়, তৃণমূলের দিকেই আজাদের পাল্লা ভারী হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা। এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি তৃণমূলের তরফে। কিন্তু একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না জল্পনা। কংগ্রেসের এহেন দুর্বল হয়ে পড়ার ছবি দিব্যি উপভোগই করবে শাসক শিবির বিজেপি।

