একেবারে যাকে বলে বাঘের ঘরে ঘোঘের বাসা! শুধু কংগ্রেসে ঘরে থাবা বসিয়ে স্বস্তি আসেনি, তাই কংগ্রেসের পর এবার গোয়ায় শাসক দল বিজেপির ঘরেও থাবা বসাতে চলেছে তৃণমূল। জোড়াফুল শিবির সূত্রে খবর, ২৮ তারিখে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়া যাচ্ছেন। ঠিক তখনই ঘর ভাঙার সম্ভাবনা রয়েছে বিজেপির। ওই দিনই বিজেপির এক বিধায়ক পদ্মফুল ছেড়ে হাতে তুলে নিতে পারেন জোড়াফুলের ঝান্ডা। এছাড়াও আরও দুই বিধায়কও যোগ দিতে পারেন মমতার দলে বলে সূত্রের খবর।
{link}
উত্তর-পূর্বের ত্রিপুরার পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমের ছোট্ট রাজ্য গোয়াও পাখির চোখ তৃণমূলের। ইতিমধ্যেই সেখানে কংগ্রেস ভেঙে সংগঠন গড়তে সক্ষম হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। গোয়ায় ঘাঁটি গেড়ে বসে রয়েছেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তার সুফলও ফলেছে। গোয়ার সাতবারের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের লুইজিনহো ফেলেইরো যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। কলকাতায় এসে তিনি হাতে তুলে নিয়েছিলেন তৃণমূলের পতাকা। লুইজিনহো গোয়া ফিরে যাওয়ার পরেই কার্যত ধস নামে সোনিয়ার দলে। বেশ কয়েকজন পদাধিকারী সদলে যোগ দেন তৃণমূলে।
{link}
রবিবারই গোয়া উড়ে গিয়েছেন বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বাবুল সুপ্রিয় এবং বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সৌগত রায়। ২৮ তারিখে যাওয়ার কথা খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোর। জোড়াফুল শিবির সূত্রে খবর, এদিনই মমতার দলে নাম লেখাতে পারেন এক বিজেপি বিধায়ক। কংগ্রেসের একজন এবং এক নির্দল বিধায়কও এদিনই হাতে তুলে নিতে পারেন জোড়াফুলের ঝান্ডা। এই তিনজনের সঙ্গেই তৃণমূল নেতৃত্বের কথা পাকা হয়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। জোড়াফুল শিবিরের এক নেতার কথায়, ওই বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে নাম লেখালে আরও অনেকেই গলায় পরে নেবেন জোড়াফুলের উত্তরীয়।
যার ফলে এখন একথা কার্যত স্পষ্ট যে নিশ্চিতভাবেই ত্রিপুরার পর ক্রমশ গোয়াতেও নিজেদের সংগঠন আরও শক্তিশালী করে তুলছে তৃণমূল। আসন্ন সময়ে গোয়ায় শাসকদল বিজেপিকে যে তারা জোর টক্কর দিতে চলেছে সেই বিষয়েও কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু ভোট শেষে শাসক দল হয়ে ওঠার লক্ষ্যেই এগোচ্ছে ঘাসফুল শিবির। তাও যদি না হয়, তবে বিরোধী দল হয়ে ওঠারও একটা বিপুল সম্ভাবনা রয়েছেই।
.jpeg)
