ক্রমশই এগিয়ে আসছে যোগীরাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের সময়। কোমর বেঁধে নিচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা থাকলেও আরও চমক বাড়ছে বাড়তে থাকা সময়ের সাথে সাথে। উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে সব আসনে প্রার্থী দিচ্ছে আম আদমি পার্টি। পার্টি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। রাজ্যের বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ৪০৪টি। আম আদমি পার্টি সব আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিজেপি বিরোধী জোটের কনসেপ্ট ফের একবার ধাক্কা খেল বলেই ধারণা ওয়াকিবহালমহলের।
{link}
নতুন বছরের ফেব্রুয়ারিতেই ভোট উত্তর প্রদেশ বিধানসভার। ওই ভোটে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস। তবে প্রার্থী থাকবে মায়াবতীর বিএসপিরও। বিভিন্ন আঞ্চলিক ছোট দলগুলিকে নিয়ে জোট করে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। তাঁরাও বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ। উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। এর পরেও এবার লড়াইয়ের ময়দানে থাকছেন আম আদমি পার্টির প্রার্থীরা। দলের প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিন কয়েক আগেই জানান, উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের সব আসনেই প্রার্থী দেবে দল।
আম আদমি পার্টি যে আলাদা প্রার্থী দিতে পারে, সে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল অনেক আগেই। কারণ বিজেপি বিরোধী জোটের রশি পোক্ত করতেই দিল্লি গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। আলাদা করে বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরার সঙ্গে। বৈঠক চলাকালীনই তিনি ফোন করেন কংগ্রেস হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধিকে। বিভিন্ন দলের সঙ্গে বৈঠক হলেও তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে দুদিন দেখা পর্যন্ত করেননি কেজরিওয়াল। মমতা যেদিন দিল্লি ছাড়েন, তার আগের দিন সন্ধ্যায় তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। যেটা কেজরিওয়ালের কথায়, নিছকই সৌজন্য সাক্ষাৎকার।
{link}
অর্থাৎ একথা স্পষ্ট এবার উত্তরপ্রদেশে ভোট হতে চলেছে বহুমুখী, সমস্ত ভারতীয় শক্তিশালী দলগুলিই অংশগ্রহন করছে তা স্পষ্ট। আসন্ন সময়ে যোগী সরকার নিজের অস্তিত্ব ও দাপট টিকিয়ে রাখতে পারে কি না তাই দেখার বিষয়। তবে এই বিষয় একদম স্পষ্ট যে উত্তর প্রদেশ নির্বাচন এবার বহুমাত্রিক হচ্ছে।
